
মেয়র নির্বাচিত হলে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই অনিয়ম-দুর্নীতি দূর করবো: জাকির মজুমদার


‘মেয়র নির্বাচিত হলে মানুষের বাহবা পাওয়ার জন্য নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই পৌরসভা থেকে অনিয়ম-দুর্নীতি দূর করবো’ এমন মন্তব্য করেছেন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী, সাংবাদিক ও সংগঠক জাকির মজুমদার।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের বদরপুর এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।


গণসংযোগকালে পৌরসভার সর্বস্তরের মানুষের কাছে সমর্থন কামনা করে জাকির মজুমদার বলেন, ‘আমি বিগত ৩২ বছর হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর এবং সর্বশেষ ঢাকায় দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যমগুলোতে ন্যায় ও সততার সঙ্গে সাংবাদিকতা করেছি। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে কোনো অসৎ উপায়, অন্যায়, অনৈতিক সুবিধা কিংবা দুর্নীতি আমাকে স্পর্শ করেনি। সততা ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জীবন গড়ার চেষ্টা করেছি।’
তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত জীবনে অনেক কষ্টের মধ্যে থাকলেও আল্লাহ আমাকে ন্যায়-নীতিতে অটল থাকার তৌফিক দিয়েছেন। এটা আমার কোনো কৃতিত্ব নয়; বরং আল্লাহর অশেষ করুণা। আল্লাহ আমাকে হারাম থেকে রক্ষা করেছেন।’
মেয়র নির্বাচিত হলে তাঁর পরিকল্পনা তুলে ধরে জাকির মজুমদার বলেন, ‘যদি আল্লাহ কবুল করেন এবং আপনাদের সমর্থন পাই, তাহলে দুনিয়ায় বাহবা পাওয়ার জন্য নয়, শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সকল অন্যায়, অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করার চেষ্টা করবো। নাগরিক হয়রানি ও দুর্ভোগ কমাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। নাগরিক সেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জনগণের ট্যাক্সের টাকার অপচয় ও লুটপাট বন্ধ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে আমাকে যেকোনো সময়, যেকোনো বিষয়ে আপনারা পাশে পাবেন। সর্বাবস্থায় আপনাদের কথা শোনার জন্য, এমনকি আপনাদের কোনো অভিযোগ বা নালিশ আমার বিরুদ্ধে হলেও তা শোনার জন্য আমার মানসিক প্রস্তুতি রয়েছে।’
জাকির মজুমদার বলেন, ‘আপনাদের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে যদি আল্লাহ আমাকে কবুল করেন, তাহলে আপনাদের সঙ্গে নিয়ে পৌরবাসীর বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের পথ বের করবো। প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি এলাকার অভিজ্ঞ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে কোথায় সমস্যা, কেন সমস্যা এবং এর সমাধানের পথ কী—তা চিহ্নিত করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।’
গণসংযোগকালে ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যুবসমাজ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


























