
পর্নোগ্রাফি তৈরি ও বিক্রি, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া গ্রেপ্তার


অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার ও তাঁর সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এছাড়া মেয়ের এই অনৈতিক কাজে সম্মতি দেওয়া ও অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও একই মামলায় আসামি করা হয়েছে।
সম্প্রতি রাজধানীর বসুন্ধরা ও বাড্ডা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, সাইবার নজরদারির সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই তরুণীর অশ্লীল কনটেন্ট বিক্রির প্রচারণা ডিবি পুলিশের নজরে আসে। তদন্তে বেরিয়ে আসে, বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে অনৈতিক ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত চক্রটি। এমনকি টাকার বিনিময়ে গ্রাহকদের ‘বিশেষ প্যাকেজ’ সুবিধাও প্রদান করা হতো।


অভিযানের সময় তাঁদের কাছ থেকে একাধিক দামি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডিবি পুলিশ জানায়, সুমাইয়া ও তাঁর সহযোগীরা দীর্ঘ দিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে এই কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। তদন্তে আরও উঠে আসে, মেয়ের এসব অপরাধমূলক কাজ সম্পর্কে তাঁর বাবা পুরোপুরি অবগত ছিলেন এবং তিনি এই আয়ের অংশ গ্রহণ করতেন।
এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করতে এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের জন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।




























