
কচুয়ায় মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন


চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নে মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ও এলাকার একাংশের।
শনিবার বিকেলে পিপলকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে এলাকার শতাধিক নারী–পুরুষ অংশ নেন।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন স্থানীয় বাসিন্দা নূরুল আফছার, গাজী রুবেল, শরীফ হোসেন, নিয়ামত, হাসিনা বেগম, ফাতেমা ও নার্গিস বেগম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, চলতি মাসের ৫ আগস্ট ফেসবুকে একটি ভুয়া (ফেক) আইডিতে ছড়িয়ে পড়া বিতর্কিত পোস্টকে কেন্দ্র করে সেনাসদস্য তরিকুল ইসলামের ছোট ভাই জহিরুল ইসলাম এবং একই গ্রামের নূরুল আফছারের ছোট ভাই আবু আব্বাসের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এই খবর পেয়ে সেনাসদস্য তরিকুল ইসলাম লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে আবু আব্বাসের ওপর হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেনাসদস্য তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ৬ আগস্ট কচুয়া থানায় চাঁদাবাজি ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে নূরুল আফছারসহ পিপলকরা গ্রামের ৯ পরিবারের ১১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ১৪)। মামলায় ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও ৩ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।
বক্তারা অবিলম্বে এই মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান। তারা আরও অভিযোগ করেন, সেনাসদস্য তরিকুল ইসলাম শুধু মামলা করেই ক্ষান্ত হননি, বরং ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন।
মামলার এক আসামির মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘‘ এই মামলায় তার ছেলে এখনো কারাগারে বন্দি রয়েছে। সেনাসদস্য তরিকুল ইসলাম বৃষ্টি কারণে পা পিছলে পড়ে আঘাত পান; অথচ এখন তিনি দাবি করছেন যে আমার ছেলে নাকি তাঁর পা ভেঙে দিয়েছে! আমি এই মামলা থেকে মুক্তির ও প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান তিনি।




























