
ফরিদগঞ্জে একদিনে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনজনের আত্মহনন


গলায় ফাঁস দিয়ে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপলোয় আত্বহত্যাকারী ৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১০জুন) উপজেলার পশ্চিম লাড়ুয়া গ্রামে ও সেকদি গ্রাম এবং নদনা গ্রাম থেকে লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর প্রেরণ করেছে।
মৃতরা হলেন তাসলিমা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূ ও তোফাজ্জল (৩০) নামে এক যুবক এবং রূপা আক্তার (১২) নামে এক স্কুল শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।


পুলিশ জানায়, উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পশ্চিম লাড়ুয়া গ্রামের রনি বেপারীর স্ত্রী তাসলিমা আক্তার (২২) তার স্বামী কর্তৃক শ্বশুরবাড়িতে টাকা ধার চাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে বিবাদের সৃষ্টি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাসলিমা আক্তার শনিবার (০১জুন) সকালে নিজ বসতঘরে থাকা ধানের জমিতে দেওয়ার কীটনাশক পান করে।
পরে তাকে মুমুর্ষ অবস্থায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করলে পথিমধ্যে মধ্যেই মারা যায়।
অন্যদিকে উপজেলার বালিথুবা পশ্চিম ইউনিয়নের সেকদি গ্রামের বারেক রেজা ছেলে প্রবাসী তোফাজ্জল (৩০) পারিবারিক কলহের জের ধরে শনিবার নিজ বসতবাড়ির একতলা বিল্ডিং এর ছাদের সিঁড়ির টিনের ঘরের রডের হুকের সাথে নাইলেন রশি দিয়ে গলায় পেচিয়ে ফাঁস দেয়।
এদিকে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে রূপা আক্তার (১২) নামের এক কিশোরী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
শনিবার (১০ জুন) বিকেলে উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের নদনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রূপা ওই গ্রামের আবদুর রব’র মেয়ে। সে রূপসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী।
এই ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আ: মান্নান জানান, সকল স্থানেই সংবাদ পেয়েই থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে পোস্ট মর্টেমের জন্য চাঁদপুর প্রেরণ করেছে।
E/N








