
চাঁদপুরে ঈদগাহের পাশে মসজিদ ও মক্তব নির্মাণ নিয়ে জটিলতা: সম্পত্তি নিয়ে এলাকাবাসীর মিশ্র প্রতিক্রিয়া


চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের নিজগাছতলা আলহাজ্ব মাওলানা মো. সালামত উল্যাহ খান (রহ.) ঈদগাহ ময়দানসংলগ্ন একটি জায়গার মালিকানা, মসজিদ-মাদরাসা নির্মাণ এবং চলমান উন্নয়নকাজকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে তীব্র আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে বাগাদী দরবার ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন ও দাবি উঠেছে।
সম্পত্তি বিক্রি ও জমির মালিকানা নিয়ে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। ২০১৮ সালে নির্ধারিত মূল্যে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ও টাকা লেনদেনের মাধ্যমেই জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল।
এ বিষয়ে জমির আগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সফিক শেখ জানান, ২০১৮ সালে জায়গা বিক্রি করেন। ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা পেয়েছেন।পাওয়ার দিয়েছেন..। তবে এখনকার যেই দাম, এই দামে টাকা দিতে হবে।


স্থানীয় আরেক প্রবীণ বাসিন্দা জানান যে, ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি মসজিদ ও জামাতে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল, তবে বর্তমানে মসজিদটির বিভিন্ন উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে।
ঘটনার বিবরণে পীরজাদা মাওলানা মাহফুজ উল্যাহ খান দাবি করেন , ঈদগাহ ময়দানের পাশে থাকা বিতর্কিত জায়গাটির মূল মালিক সফিকুর রহমান শেখের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে তিনি ওই সম্পত্তি পেয়েছেন। ২০২০ সালে সেখানে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে একটি নামাজের ঘর ও মাদরাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হলে একটি পক্ষ তাতে বাধা দেয় এবং পরবর্তীতে তা উচ্ছেদ করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বর্তমানে তিনি ঈদগাহ ময়দানের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার মতে, ঈদগাহ ময়দান কারও ব্যক্তিগত জায়গা দখল করে পরিচালিত হওয়া উচিত নয়, তাই জমির প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করে বিষয়টির একটি চূড়ান্ত ফয়সালা হওয়া দরকার।
ঈদগাহ ময়দানসংলগ্ন এই জমি নিয়ে চলা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এলাকাবাসী দ্রুত এর একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান চান। সাধারণ মানুষের দাবি, নিরপেক্ষভাবে জমির সঠিক পরিমাপ, সীমানা নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হোক। এতে করে এলাকায় দীর্ঘদিনের ভুল বোঝাবুঝি দূর হবে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষা পাবে।



























