
পুলিশের অভিযানে ইয়াবা উদ্ধার গ্রেপ্তারের তথ্য দেরিতে প্রকাশ


গ্রেপ্তার হয়েছে, ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে, মামলা হয়েছে এবং আসামিকে আদালতেও পাঠানো হয়েছে। পুলিশের নিয়মিত অভিযানের একটি ঘটনা হিসেবেই শেষ হওয়ার কথা ছিল বিষয়টি। কিন্তু তথ্য প্রকাশে প্রায় ৭২ ঘণ্টার ব্যবধান। এই ঘটনায় মতলব উত্তরে শুরু হয়েছে আলোচনা সমালোচনা।
গত রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টা ১০মিনিটে উত্তর দশানী থেকে নবীর হোসেন (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
নবীর হোসেন কলাকান্দা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের
দশানী গ্রামের মৃত্যু আবদুল কাদিরের ছেলে। কিন্তু গ্রেপ্তারের দিন থানার স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে পরিচালিত ‘প্রেস রিলিজ মতলব উত্তর থানা’ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। সাংবাদিকরা নিজেদের উদ্যোগে থানায় যোগাযোগ করেও তখন কাঙ্ক্ষিত তথ্য পাননি বলে অভিযোগ করেন। পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর রাতে প্রেস রিলিজ মতলব উত্তর থানা তথ্য দেওয়ার পর প্রশ্ন ওঠে, গ্রেপ্তারের পর এতটা সময় তথ্য প্রকাশ না করার কারণ কী?


এরই মধ্যে দশানী গ্রামে শুরু হয়েছে আলোচনা সমালোচনা।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দশানী নবীর হোসেনের দোকানে ইয়াবা আছে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মতলব উত্তর থানার এসআই জীবন চৌধুরী তাকে আটক করে। অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলা তদন্ত করছেন এসআই সাদেকুর রহমান।
তিনি বলেন, রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টা ১০মিনিটে নবীর হোসেনকে ১০০পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। এসআই সাদেকুর রহমান বলেন, আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং অন্য কেউ জড়িত আছে কি না-তা তদন্ত করে দেখা হবে।
সাংবাদিকদের জানাতে দেরির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মিস কমিউনিকেশন’ হয়েছে।
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনর্চাজ মো. কামরুল হাসান বলেন, ‘প্রেস রিলিজ মতলব উত্তর থানা’ সংবাদ দিতে দেরি হয়েছে। তবে মামলা ও আদালতে পাঠানোর কার্যক্রম আগে সম্পন্ন হয়েছে।



























