
ফরিদগঞ্জে খাল থেকে কচুরিপানা অপসারণ কর্মসূচি


ডাকাতিয়া নদীসহ চাঁদপুর সেচ প্রকল্প ভুক্ত খাল ও বোরোপিট খাল সমূহ কচুরিপানা জটের কারণে নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। বদ্ধ জলশয়ের পরিনত হওয়া, পচে দুর্গন্ধ ছড়ানো, মাছ মরে যাওয়া এবং সর্বোপরি কৃষকদের সেচকার্যের জন্য পানি উঠানো দূরহ হয়ে পড়ছিল।
দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা সমাধানের জন্য কৃষকসহ ভোগান্তির শিকার লোকজন কচুরিপানা অপসারণ করার দাবি জানায়। সর্বশেষ সিআইপি কৃষক সংগ্রাম কমিটি, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর এই বিষয়টি নিয়ে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আবেদনে সাড়া দিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন পূর্বক বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করেন কর্তৃপক্ষ। সেই আলোকে প্রাথমিক ভাবে চাঁদপুর সেচপ্রকল্প ভুক্ত বেরোপিট খাল থেকে কচুরিপানা অপসারণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বুধবার (১৮ জুন ২০২৫) সকালে চাঁদপুর সেচপ্রকল্প ভুক্ত ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের গল্লাক বাজারের সন্নিকটস্থ বোরোপিট খাল থেকে কচুরিপানা অপসারণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া ।


এসময় উপস্থিত ছিলেন, গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটওয়ারী,ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চক্রবর্তী, সিআইপি কৃষক সংগ্রাম কমিটি চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর সদস্য রহিমা কলি, আব্দুল ওয়াদুদ প্রমুখ।
ইউএনও সুলতানা রাজিয়া জানান, আমরা টেস্ট কেস হিসেবে গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের গল্লাক বাজারের সন্নিকটস্থ বোরোপিট খাল থেকে কচুরিপানা অপসারণ শুরু করেছি। এটি সফল হলে পর্যায়ক্রমে তার পরিধি বাড়ানো হবে।
সিআইপি কৃষক সংগ্রাম কমিটি চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর সদস্য রহিমা কলি জানান, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে আজ থেকে কচুরিপানা অপসারণ কর্মসূচি শুরু হলো। এর আাগে লক্ষ্মীপুর জেলাতে একই ভাবে সেচপ্রকল্প ভুক্ত বোরোপিট খাল থেকে কচুরিপানা অপসারন করা হয়।








