
ফরিদগঞ্জে ভোটার অন্তর্ভুক্তি একটি ফরমের দাম এক হাজার টাকা
Link Copied Successfully!

সারা দেশে বিনা খরচে জাতীয় পরিচয়পত্রের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান। এই কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয় স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির ফরম বিক্রির অভিযোগ উঠেছে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার হামছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল হুদা এবং মান্দারতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু সায়েদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ করেন গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের মান্দারতলী এলাকার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম।
অভিযুক্ত এই দুই শিক্ষক এবছর ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কাজে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীর দায়িত্ব পালন করেন ওই এলাকার।
কল রেকড এর মাধ্যমে বিস্তারিত জানা যায়, নতুন ভোটার হওয়ার লক্ষ্যে ভোটার তালিকার তথ্য হালনাগাদ করার জন্য তথ্য সংগ্রাহক সহকারী শিক্ষক আবু সায়েদের কাছে ফরম চাইলে, তিনি প্রতি ফরম ১ হাজার টাকা দাবি করে বলেন, “টাকা ১ হাজার দিলে আমি স্যারকে বলে ফরম এনে দেব। “আমি নামাজ পড়ে এসেছি মিথ্যা কথা বলবোনা, সুপার ভাইজার বলছে কালকে ফরমেরলাই যাইবো। প্রতি ফরমে টাকা এক হাজার টাকা।
এ বিষয়ে আবু সায়েদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, টাকা নেওয়ার কথা তাকে বলেছেন সুপারভাইজার, হামছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল হুদা। টাকা নেওয়ার বিষয়ে অপর একটি মুঠোফোন রেকর্ডের সূত্রে জানা যায়, তথ্য সংগ্রাহক আবু সায়েদকে টাকা নিতে নির্দেশ দেন সুপারভাইজার নাজমুল হুদা।
অভিযুক্ত সুপারভাইজার নাজমুল হুদা বলেন, “ভুল হয়ে গেছে, মাফ করে দিন। আমি আপনার সঙ্গে দেখা করব।”
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রায়হান আরেফিন বলেন, “টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কেউ নিয়ে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমার সহ-কর্মীর কাছ থেকে বিষয়টি জেনেছি, তাদের তলব করেছি। পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”








