
ফরিদগঞ্জে ভিজিএফের চাল বিতরণ নিয়ে দুই গ্রুপের মারামারি: আহত ৮
Link Copied Successfully!

ফরিদগঞ্জ উপজেলার ২ নং বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নে হত দরিদ্রদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফের চাল বিতরণে ইউপি চেযারম্যান হারুনুর রশিদ ও আওয়ামীলীগ নেতা জিএম হাসান তাবাচ্ছুমের গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই গ্রুপের আটজন আহত হয়। এ বিষয়ে মঙ্গলবার রাতে ইউপি চেয়ারম্যানের পক্ষে ফরিদগঞ্জ থানা একটি অভিযোগ দেয়া হয়। অভিযোগে কাড ছিনিয়ে নেয়া ও মারধর করায় ১০ জনকে আসামী করা হয়।
মারামারির ঘটনায় আহতরা হলেন আরজু বেগম, মনির হোসেন, ইতি আক্তার, শরাফত ও ফয়েজ উল্লাহ। তারা চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। বাকীরা প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়।
এলাকাবাসী জানান, চাল বিতরণকালে ইউপি চেয়ারম্যান না থাকলেও আওয়ামীলীগ নেতা জিএম হাসান তাবাচ্ছুমে প্রভাব বিস্তার করে। ওইসময় অনেকেই ২/৪ নামে কাড দেখিয়ে চাল নেয়। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান গিয়ে প্রতিবাদ করে। ওইসময় তার অনুসারিরা ফেসবুকে লাইভ দেয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়। দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় মারামারির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার পুলিশ এসে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনেন।
জানতে চাইলে আওয়ামীলীগ নেতা জিএম হাসান তাবাচ্ছুম বলেন, শান্তিপূর্ ভাবে চাল বিতরণ চলছে। কিন্তু চেয়ারম্যান এসে হট্টগোল করে। চাল বিতরণকালে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুরে আলম ভুট্টো। তবে এই বিষয়ে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান এ এইচ এম হারুনুর রশিদ বলেন, গত ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে তাকে ইউনিয়ন পরিষদে প্রবেশ করতে দেয়নি জিএম হাসান তাবাসসুম ও তাঁর লোকজন। এমনকি চেয়ারম্যান ইউনিয়ন পরিষদে প্রবেশ করলে তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি প্রদান করেন। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে চেয়ারম্যান এইচ এম হারুনুর রশিদ ৮ এপ্রিল চাঁদপুরের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর বলেন, এখানে চাল বিতরণ কার্যক্রমে যে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে, সেটি আমরা নিয়ন্ত্রণ করেছি এবং চাল বিতরণ কার্যক্রমে আমরা সহযোগিতা করেছি।








