
হাজীগঞ্জে দুই মরদেহ উদ্ধার


হাজীগঞ্জে মনির হোসেন মনা (৪৬) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ। বুধবার বিকালে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এর আগে এ দিন দুপুরে উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের দশানী বাড়ির মনা মিয়ার বসতঘর থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি ওই বাড়ির মৃত আব্দুল জব্বার মিয়ার ছেলে।
নিহতের ভাতিজা ইয়াছিন জানান, সকালে ঘুম থেকে না উঠায় মনা মিয়াকে জাগাতে যান তার চাচী। এ সময় তিনি মৃত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করেন। এর আগে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে গত ৩০ নভেম্বর মারামারির ঘটনা ঘটে। ওই সময়ে তাদের পরিবারের সবাই কম বেশি আহত হন। এর মধ্যে মনা মিয়াসহ ৯জন গুরুতর আহত হয়ে হাজীগঞ্জ, কুমিল্লায় ও ঢাকা চিকিৎসা নিয়েছেন।
এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ২টি মামলা দায়ের করেন প্রতিপক্ষের লোকজন এবং তারাও নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। গত ১৭ ডিসেম্বর মনা মিয়া চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আসেন এবং ১৮ ডিসেম্বর আদালতে হাজির হলে বিচারক তাদের জামিন দেন। সবশেষ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত ১২টা দিকে চাচার মাথা ব্যথা শুরু হয়। এরপর ঔষধ খেয়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন এবং সকালে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।


তিনি অভিযোগ করে বলেন, ওই সময়ে মারধরের ঘটনায় চাচা গুরুতর আহত হন। আমরা টাকার অভাবে চাচাকে ভালোভাবে চিকিৎসা করাতে পারিনি। যার ফলে তিনি মারা যান। এই ঘটনায় আমরা থানায় অর্ভিযোগ দিবো।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক জানান, নিহত মনির হোসেন মনার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে হাজীগঞ্জে চলন্ত সাইকেল থেকে পড়ে মো. জিহাদ হোসেন (১২) নামের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোর মারা গেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাউড়া গ্রামের বেপারীর সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া কিশোর ওই বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ হোসেনের ছেলে। সে ওই ইউনিয়নের বাউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
বিকালে বাড়ি থেকে নিজের সাইকেলটি নিয়ে বের হয় জিহাদ হোসেন। এসময় বাড়ির সামনে গ্রামীণ সড়ক থেকে সাইকেলটি নিয়ে রাস্তার নিচে পড়ে সে মাথায় আঘাত পায়। তাৎখনিক স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জিহাদের মরদেহ থানা হেফাজতে নিয়ে আসে।








