
বিশ্ব চকলেট দিবস আজ


ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহের আজ তৃতীয় দিন। রোজ ডে, প্রপোজ ডের পর এবার আসলো চকলেট ডে। আজ ৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব চকলেট দিবস। প্রিয়জনকে আমরা সবাই কমবেশি চকলেট উপহার দিয়ে থাকি। শুধু বড়দেরকে নয় ছোটদেরকেও তো ভালোবেসে চকলেট উপহার দিতে হয়। চকলেট যেমন অভিমান ভাঙাতে পারে, তেমনই পারে সম্পর্ককে আরও মধুর করতে।
আপেলের তুলনায় পাঁচ গুণ ফ্ল্যাভনয়েড রয়েছে চকলেটে।
চেহারা ও শরীর ফিট রাখতে খুবই উপকারী ডার্ক চকলেট।


চকলেট খেলে হার্ট ভালো থাকে।
চকলেটে অনেক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারীরা গর্ভাবস্থায় বেশি চকোলেট খান তারা স্ট্রেসমুক্ত থাকেন। তার বুদ্ধিদীপ্ত, হাসিখুশি সন্তানের জন্ম দেন।
চকলেট খেলে স্ট্রেস কমতে শুরু করে। মনে প্রশান্তি আনে।
সূর্যরশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করার ক্ষমতা রয়েছে চকলেটের ফ্লাভনলে। টানা তিন মাস চকলেট খেলে ত্বক রোদে পোড়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন চকোলেট তৈরির জন্য খরচ হয় ৩৫ লাখ পাউন্ড দুধ।
মার্কিনিরা প্রতিদিন ২৮ লাখ পাউন্ড ক্যান্ডি খায়। এর মধ্যে অর্ধেকই চকোলেট।
সমগ্র পৃথিবীতে উৎপন্ন অ্যালমন্ডের ৪০ শতাংশ চকোলেট তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়।
হার্সে চকলেটের নির্মাতা মিলটন হার্সের টাইটানিকে ভ্রমণ করার কথা ছিল। কিন্তু তা শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায়। নাহলে হয়তো গোটা বিশ্বই চকলেটের সুস্বাদ থেকে বঞ্চিত হতো।
মানুষ প্রতিদিন হার্সের ৮ কোটি চকোলেট খায়।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় চকলেট বারের ওজন ১২,৭৭০ পাউন্ড।
একটি ছোট চকলেটের চিপস ১৫০ ফুট রাস্তায় চলার শক্তি দিতে পারে।
চকলেট খেলে মুখে ব্রণ, একজিমা, ত্বকে অবাঞ্চিত দাগ থেকে মুক্ত থাকা যায়।




























