
স্কুলে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল


আগামী শিক্ষাবর্ষে সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তির অনলাইন আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে অনলাইন আবেদন করা যাবে আগামী ১৮ নভেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) রাতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) উপপরিচালক মোহাম্মদ আজিজ উদ্দিন স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এতে বলা হয়, মাউশি আওতাধীন সরকারি (সব) ও বেসরকারি (মহানগর ও জেলার সদর উপজেলা পর্যায়) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তিতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের অনলাইন আবেদন ফরম পূরণের সময় আগামী ১৮ নভেম্বর বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো। ওই দিন রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে।


এর আগে গত ২৪ অক্টোবর দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়, যা শেষ হওয়ার কথা ছিল গত ১৪ নভেম্বর।
প্রতিবারই বছরের শেষ সময়ে পরবর্তী বছরের ভর্তির প্রক্রিয়া চলে। ভর্তি শেষে জানুয়ারিতে ক্লাস শুরু হয়। কিন্তু দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ভর্তি প্রক্রিয়া এক মাস এগিয়ে আনা হয়েছে। সাধারণত প্রতি বছরের নভেম্বর মাসে শুরু হয় ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া। আগে কেবল প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির কাজটি হতো লটারির মাধ্যমে। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ২০২১ সাল থেকে সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।
ভর্তির নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর বয়স হতে হবে ছয় বছরের বেশি। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বয়স নির্ধারণে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া যাবে। আর প্রতি শ্রেণি শাখায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা হবে সর্বোচ্চ ৫৫ জন।
মাউশি থেকে জানা যায়, প্রার্থীরা আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের সময় মহানগর পর্যায়ের জন্য বিভাগীয় সদরের মেট্রোপলিটন এলাকা এবং জেলার সদর উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দের ক্রম অনুযায়ী নির্বাচন করতে পারবে।
ডাবল শিফট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয়বার পছন্দ করা যাবে না।
আর এবারও ভর্তির আবেদন ফি ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে রাষ্ট্রীয় মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটকের মাধ্যমে।
সূত্র: প্রতিদিনের বাংলাদেশ








