
চাঁদপুরে দুই মাস ইলিশ ধরার অভিযান শুরু


মধ্য রাত থেকে পদ্মা-মেঘনায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষেধাঙ্গা শুরু হয়েছে।
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাঁদপুর সহ দেশের পাঁচটি অভয়াশ্রমে শুরু হয়েছে দুই মাসের জাটকা রক্ষা নিধন অভিযান। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এই নিষেধাজ্ঞা।
অভয়াশ্রম বাস্তবায়ন ও জাটকা রক্ষায় জেলেদেরসচেতনতা বৃদ্ধি লক্ষ্যে চাঁদপুরে জনসচেতনতা মূলক সভা ও নৌ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।


বুধবার দুপুরে চাঁদপুর বড় স্টেশন মোলহেডে জেলেদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর নৌ অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান প্রমুখ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিসহ জেলেরা। পরে একটি নৌ-র্যালী বের করা হয়।
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ও জাটকার অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করতে ২০০৬ সাল থেকে এই নিষেধাঙ্গা দিয়েছে আসছে মৎস্য বিভাগ।
বিকল্প হিসেবে জেলেদেরকে দেয়া হচ্ছে খাদ্য সহায়তা। সরকারের এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করবে টাস্কফোর্স। চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার ১শ’ কিলোমিটার নদী উপকূলীয় এলাকায় ইতোমেধ্য প্রচার প্রচারণা কার্যক্রম রাখা হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞায় সরকারি প্রণোদনা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান বলেন, জেলার মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, সদর ও হাইমচর উপজেলার ইলিশ আহরণে জড়িত নিবন্ধিত জেলে রয়েছে ৪৪ হাজার ৪৫ জন। এ সময় নদীতে মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মওজুদ ও পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সরকারের এই আইন অমান্য করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদন্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে।








