
হত্যার চার মাস পর জানা গেলো সন্তানের খুনি মা


হাজীগঞ্জে শিশু সন্তান হত্যার দায়ে চার মাস পর ঘাতক মাকে আটক করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে শিশু শাহরিন জান্নাত (৪মাস) হত্যার বিষয়টি উঠে আসে।
চলতি বছরের গত ৬ আগস্ট হাজীগঞ্জ উপজেলার ৫নং সদর ইউনিয়নের বাড্ডা গ্রামের মিজি বাড়ির সৌদি প্রবাসী ফারুক হোসেনের শিশু সন্তান শাহরিন জান্নাত ঘুমন্ত অবস্থায় মারা যায়। এ শিশুর মৃত্যু রহস্যজনক মনে হওয়ায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে পাঠায়।
ওই ঘটনায় গত ৬ আগস্ট হাজীগঞ্জ থানায় প্রবাসী ফারুক হোসেনের বোন হালিমা আক্তার বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানায় অপমৃত্যু দায়ে মামলা করেন। হত্যার চার মাস পর ময়না তদন্তের রিপোর্টে শিশু শাহরিন জান্নাতকে হত্যা করা হয়েছে মর্মে জানতে পারে পুলিশ।


ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেয়ে গত ২১ নভেম্বর হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ শিশুটির মা ঘাতক স্ত্রী মানছুরা বেগম (২৮) কে আটক করে। মানছুরা বেগম হাজীগঞ্জ পৌরসভার মকিমাবাদ ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে।
মামলা সূত্রে এবং থানা পুলিশের ভাষ্যমতে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট রাতে সৌদি প্রবাসী ফারুকের স্ত্রী মানছুরা বেগম ৪ মাস বয়সী মেয়ে শাহরিন আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। ঘাতক মা মানছুরা শিশু কন্যার হত্যার ঘটনাটি ধামা-চাপা দিতে ভোর ৪টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে বলে ডাক-চিৎকার দেয়।
তার ডাক চিৎকারে আশ-পাশের লোকজন ছুটে আসে। বিষয়টি রহস্যজনক মনে হওয়ায় সৌদি প্রবাসী ফারুক হোসেনের বড় বোন হালিমা আক্তার বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানা অপমৃত্যুর দায়ে অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার চার মাস পর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে শিশু শাহরিন জান্নাতকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার করার বিষয়টি নিশ্চিত হয় পুলিশ।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জোবাইর সৈয়দ বলেন, চার মাস শিশু শাহরিনকে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর পুলিশ নিশ্চিত হয়ে শিশুটির মাকে আটক করা হয়েছে।








