
আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড থ্রিলার ম্যাচ: চাঁদপুরে মোশারফ ফাউন্ডেশনের বড় পর্দায় খেলা প্রদর্শনীতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়


বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬-এর রোমাঞ্চকর শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা। বিশ্ব ফুটবলের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচকে ঘিরে চাঁদপুরেও সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী মোশারফ হোসেনের সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মোশারফ ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে রোববার ভোরে শহরের হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিশাল ডিজিটাল এলইডি স্ক্রিনে ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
খেলা শুরুর অনেক আগ থেকেই আর্জেন্টিনার সমর্থক ও ফুটবলপ্রেমীরা মাঠে জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে পুরো মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় এবং ‘মোশারফ ফাউন্ডেশন ওয়ার্ল্ড কাপ জোন’ পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত ফুটবল উৎসবে।


ম্যাচের শুরুতেই লিওনেল মেসির দারুণ পাস থেকে আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টারের গোলে আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেলে মাঠজুড়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন দর্শকরা। দ্বিতীয়ার্ধে সুইজারল্যান্ড সমতায় ফিরলে কিছু সময়ের জন্য নেমে আসে উদ্বেগ। পরে সুইজারল্যান্ডের এক খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখার পর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত সময়ে হুলিয়ান আলভারেস ও লাউতারো মার্তিনেসের দুটি গোলে আর্জেন্টিনা জয় নিশ্চিত করলে মুহূর্তেই পুরো মাঠ ‘মেসি, মেসি’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। বিজয়ের আনন্দে সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ যেন ছোট্ট এক আর্জেন্টিনায় রূপ নেয়।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে মোশারফ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মারজুক মুঈদ ঐশ্বর্য বলেন, চলতি বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা রোমাঞ্চকর ম্যাচটি বড় পর্দায় উপভোগের সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি তরুণদের সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন, দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করেছে এমন আয়োজনের প্রতি মানুষের ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। খেলা দেখতে আসা দর্শকরাও জানান, স্টেডিয়ামের মতো পরিবেশ, বিশাল পর্দা ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার কারণে হাজারো মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে এমন একটি রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ উপভোগ করার অভিজ্ঞতা ছিল স্মরণীয়। এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বানও জানান তারা।



























