
সীমা আহসানের সীমাহীন প্রতারণা


চাঁদপুর শহরের ওয়েসিস এইড সীমা হাসপাতালের বিরুদ্ধে রোগীর সাথে প্রতারনার ও অপচিকিৎসার অভিযোগ করেছে এক রোগীর পরিবার।
শনিবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা সিভিল সার্জন বরাবর অভিযোগ করা হয়।
পাশাপাশি অভিযোগের অনুলিপি চাঁদপুর ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, বিএমএ এবং জেলা প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ক্লিনিক মালিক সমিতি বরাবর জমা দিয়েছেন।


লিখিত অভিযোগে চাঁদপুর মহামায়া বাজার এলাকার প্রবাসী মো. মিন্টু বেপারী জানান, তার বড় ছেলে মো. রবিউল হাসান (৯) বেশ কিছু দিন যাবত অসুস্থ। স্থানীয়ভাবে ঔষধ খাওয়ানোর পরেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চাঁদপুরের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এ কে এম মাহাবুবুল আলমকে দেখানোর জন্যে চাঁদপুরে রওনা হন। শহরের বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এসে ডা. মাহবুবুল আলমের চেম্বারে যাবেন বলে রিক্সা যোগে রওনা হন।
রিক্সা চালক তাদের প্রফেসর পাড়া এলাকায় একটি বাসায় নিয়ে যায়। যার সাইনবোর্ডে লেখা ছিলো ওয়েসিস এইড, সীমা হাসপাতাল (প্রাঃ)।
সেখানে যাওয়ার পরে একজন মহিলা তার বাচ্চাকে দেখে এবং পরীক্ষা নিরীক্ষা করানোর কথা বলে ৩ হাজার ২শ’ টাকা নিয়ে যায়।
এসময় তিনি ডা. মাহাবুবুল আলমের কথা জানতে চাইলে ওই ভদ্রমহিলা বলে পরীক্ষা নিরীক্ষা করানোর পরে ডাক্তার সাহেব আসবে। ৩০ মিনিট পর কাজগপত্র দিয়ে দেয়।
ভুক্তভোগী মো. মিন্টু বেপারী আরো জানান, ওই ভদ্রমহিলা বলেন, আমি স্যারের রুগী দেখি, স্যারও আমাদের রুগী দেখে। স্যারের সাথে পরমর্শ করে ঔষধ লিখে দিয়েছি, ঔষধ খাওয়ান বাচ্চা সুস্থ হয়ে যাবে। তার কথায় সন্ধেহ হলে আমার অভিভাবকদের জানালে তারা ডা. এ কে এম মাহবুবুল আলমের চেম্বারে নিয়ে আসে। তখন আমরা নিশ্চিত হই আমরা প্রতারনার শিকার হয়েছি।
ওই সময় খোঁজ নিয়ে জানতে সে নারী হলেন ডা. আহসান উল্লাহ্ স্ত্রী ডাঃ মাকসুদা আক্তার সীমা এবং তারা দুজন স্বামী স্ত্রী।আমরা এমন জঘন্য প্রতারনার ঘটনায় তিনি দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করছি।
এ বিষয়ে ডা. ডাঃ মাকসুদা আক্তার সীমা বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। ওই রোগীর অভিভাবক এসে আমার স্বামী ডাক্তার আহসান উল্লাহ সাহেবকে খোঁজ করেছেন। আমি বলেছি তিনি নেই, আপনারা চাইলে আমাকে রোগী দেখতে পারেন। তখন তাদের সম্মতিতে আমি রোগী দেখে প্রেসক্রিপশন করে ওষুধ দিয়েছি এবং তারা সন্তুষ্ট হয়ে আমার চেম্বার থেকে চলে গেছেন। তারা যদি বলত আমাকে রোগী দেখাবেন না তাহলে আমি তাদের রোগী দেখতাম না।








