
সরকারি কৃষি খাল ভরাট করে দোকানঘর নির্মাণ করায় কৃষকদের দুর্ভোগ
Link Copied Successfully!

হাজীগঞ্জ উপজেলার ১০নং গন্ধর্ব্যপুর ইউনিয়নের ডাটরা সড়কের বটতলায় সরকারি হালট কৃষি খাল ভরাট করে দোকানঘর নির্মাণ করায় ইরি বরো ধান চাষে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে কৃষকদের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, দেশগাঁও মৌজার ১১৫৬নং দাগের পাশে ৬৬ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট সরকারি হালট রয়েছে। সেই সরকারি হালটা তথা কৃষি খাল মাটি দিয়ে বরাট করে কয়েকটি দোকান ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে আলী আহমেদ আটিয়ার বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী কৃষকেরা বলেন, সরকারি সংস্থার কোন অনুমতি বা ইজারার প্রমানপত্র নেই। তবুও প্রায় ২০থেকে ২৫বছর ধরে অবৈধ পন্থা অবলম্বন করে সরকারী হালটে কৃষি খাল ভরাট করে দোকানঘর নির্মাণ করে
বিগত কয়েক বছরে লক্ষ লক্ষ টাকা ভাড়া আদায় করে আসছে। এদিকে কৃষকের দুর্ভোগ নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই তাদের।
তারা আরো বলেন, তখনকার সময় মজু আলী আটিয়ার ছেলে সাবেক পুলিশের এস.পি মোস্তফা কামালের এক সময়ের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কৃষকদের ক্ষতি করে অবৈধ দোকান ঘর নির্মাণ করেন।
এ বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে বিভিন্ন সময়ে হামলা মামলাসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এছাড়াও প্রতিবাদকারীদের পুলিশ দিয়ে হয়রানি করা হতো। এখনো ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পর্যন্ত করে নি।
ভরাটকৃত হালটের উপর পূনরায় খাল খনন সহ দোকানঘর উচ্ছেদ করতে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের লিখিত অভিযোগ করেন। সেই লিখিত অভিযোগে একটি অনুলিপি পপুলার বিডিনিউজের হাতে আসে।
অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, দোকান ঘর নির্মাণ করায় যান চলাচল ও সর্বসাধারণের চলাচলের বিঘ্ন ঘটে এবং ঝুঁকিপূর্ন এলাকায় পরিনত হওয়ায় প্রতিনিয়ত মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটে। এ অবৈধ দোকান ঘর গুলো যেনো চলাচলের জন্য মৃত্যুকুপে পরিনত হয়েছে।
দখলদারের হালটস্থ দোকান ঘর গুলোর উপরে একটি উপযুক্ত বিভাগীয় তদন্ত দিলে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হবে এবং দোকান ঘর গুলো অপসারণ করা হলে জনজীবনে সস্তি ফিরে আসবে। এছাড়াও হালটের উপর পূণঃ খাল খনন করলে মাঠের পানি অপসারিত হবে। আবারো কৃষি জমিগুলো ফিরে পাবে প্রাণ। জনস্বার্থে সরকারি হালট ব্যবহৃত হবে। অবৈধ দখলদার থেকে সরকারি সম্পত্তি মুক্তি পাবে।
জানতে চাইলে হেলাল উদ্দিন খাল ভরাট প্রসঙ্গে কোন কথা বলতে চাননি। তিনি তার বড় ভাই এ বিষয় বলতে পারবেন বলে জানান।








