
হাজীগঞ্জ মডেল হসপিটালের ডা. রনি চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে থানায় নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ


হাজীগঞ্জ মডেল হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ডা. রনি চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাতে হাজীগঞ্জ মডেল হাসপাতালে ওই নারী ডা. রনি চন্দ্র মজুমদারের খোঁজে রোগী সেজে বোরকা পড়ে গিয়ে তাকে চিহ্নিত করে। এই বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানালে কোনো সুফল না পেয়ে বুধবার বিকেলে ভুক্তোভোগী ওই নারী বাদী হয়ে ডা. রনি চন্দ্র মজুমদারকে নামিও ও মডেল হাসপাতালের তিন থেকে চার জনকে অজ্ঞাত করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
ঘটনার শুরু বাংলাদেশ মেট্রোমনি ম্যারেজ মিডিয়া থেকে। যশোরের কোতোয়লী থানার নারায়ণ কুমার মন্ডলের মেয়ে দেবীলতা মন্ডল অরুফে অনুপমা মন্ডল পাত্র চাই লিখে সিভি দেয়। সেখান থেকে পরিচয়। এরপর ১৮ই নভেম্বর দেখা করেন খুলনার সোনাডাঙ্গা আবাসিক হোটেলে। ডা. রনি চন্দ্র মজুমদার দেবীলতা মন্ডল অরুফে অনুপমা মন্ডলদেবীলতা মন্ডল অরুফে অনুপমা মন্ডলকে বিয়ে করবেন বলে ওই রাতে হোটেলে একাধিকবার শারিরিক সম্পর্ক করেন তার সাথে।
সেখান থেকে এসে সবকিছু ঠিকঠাক। কয়েকদিন পর ঘুরে যায় ডা. রনির আচরণ! দেবীলতা মন্ডল অরুফে অনুপমা মন্ডলের সাথে কথা বলতে ও দেখা করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে ডা. রনি চন্দ্র মজুমদারের খোঁজে মঙ্গলবার রাত ১১টায় হাজীগঞ্জ মডেল হাসপাতালে পৌঁছায় দেবীলতা মন্ডল অরুফে অনুপমা মন্ডল।


ডা. রনির খোঁজে হাজীগঞ্জ মডেল হাসপাতালে আসলে অভিযোগে উল্লেখ করা অজ্ঞাত আসামীরা তিনশ টাকা মূল্যের অলিখিত একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয় এবং তার সাথে থাকা নগদ ১০ হাজার টাকা, ১০ আনা ওজনের একটি গলার চেইন, ছয় আনা ওজনের কানের দুল চিনিয়ে নিয়ে মারধর করে চেম্বার থেকে বের করে দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।
ভুক্তভোগী ও-ই নারী অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন, চেম্বার থেকে বের করে দিলে সে কয়েকটি ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলে অভিযোগ উল্লেখিত অজ্ঞাত তিন চার জন তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে পালিয়ে যায়। মধ্যরাতে জ্ঞান ফিরলে দুইজন ব্যাক্তি তাকে উদ্ধার করে হাজীগঞ্জ আহামাদিয়া আবাসিক হোটেলে রাখে। পরে সকালে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
এই বিষয়ে কথা বলতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কেউই সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেনি এবং ডা. রনি চন্দ্র মজুমদারকেও পাওয়া যায়নি।








