
হাজীগঞ্জে প্রবাসী স্বামীর দাবীতে কুমিল্লার মেয়ের অনশন


হাজীগঞ্জ পৌরসভায় প্রবাসী স্বামীর দাবিতে দ্বিতীয় স্ত্রী ময়না বেগমের অনশন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
সোমবার দুপুরে পৌর ১১নং ওয়ার্ড রান্ধুনীমুড়া সোলেমান বেপারী বাড়ীর সৌদি প্রবাসী আলমের বাড়িতে গিয়ে অনশন করেন কুমিল্লার মেয়ে ময়না বেগম।
ভুক্তভোগী ময়না বেগম অনশনে সংবাদ মাধ্যমকে জানান, খালাতো ভাই সৌদি প্রবাসী আবু খানের মাধ্যমে পরিচয় হয় হাজীগঞ্জের আলমের সাথে। সেই থেকে মুঠোফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সুবাধে গত তিন মাস আগে কুমিল্লা জেলার লাকসামে একটি কাজী অফিসে বিয়ে করেন। বিয়ের পাঁচ মাস আগে তার প্রথম স্ত্রী সুমি বেগমকে ডিভোর্স দেয়। গত তিন মাস আগে প্রবাস থেকে দেশে আসে আলম। বাড়িতে না গিয়ে আলম তার পরকীয়া প্রেমিকা ময়নার বাসায় উঠে। মাসখানেক পর আলম তার দ্বিতীয় স্ত্রী মায়না বেগমকে হাজীগঞ্জের প্রফেসর পাড়ায় সৈনিক ভিলায় এক মাস ভাড়া বাসায় উঠে। সেখান থেকে পুনরায় ময়না ও আলম ঢাকার বাসায় ফিরে যায়।


এদিকে আলম প্রবাসে যাওয়ার গত ১৩ সেপ্টেম্বর পারিবারিক সমঝোতায় প্রথম স্ত্রী সুমি বেগমকে কোর্ট এফিডেভিটের মাধ্যমে দ্বিতীয় বারের মতো দশ লক্ষ টাকা দেনমোহরের বিবাহ করে। দ্বিতীয় বিয়ে করার আগে আলম প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিল।
বিদেশে যাওয়ার পর আলম তার দ্বিতীয় স্ত্রী’র সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন করায় ময়না বেগম খোঁজ খবর নিয়ে স্বামীর দাবিতে হাজীগঞ্জে অবস্থান নেয়।
হাজীগঞ্জ থানা এসআই গোপী নাথ ও তার সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনায় আলমের প্রথম স্ত্রী সুমি বেগম হাজীগঞ্জ থানা অভিযোগ দায়ের করেন।
দ্বিতীয় স্ত্রী ময়না বেগম জানান, স্বামী আলম কিছু না জানিয়ে প্রবাসে পালিয়ে যায়। কোন উপায়ন্তর না দেখে স্বামীর দাবিতে তার বাড়িতে ছুটে আসলে তার মা ও প্রথম স্ত্রী মারধর করে বলে জানান।








