
চাঁদপুরে ডাকাত আতংক, মসজিদে মসজিদে মাইকিং


চাঁদপুরের তিন উপজেলায় রাতভর ডাকাত আতংকে মসজিদে মসজিদে মাইকিং করা হয়েছে। তবে কোথাও ডাকাতির কোন সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, সবই গুজব।
বুধবার দিবাগত রাত ১২ টার পর থেকে জেলার কচুয়া, হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলায় ডাকাত ঢুকেছে, সবাইকে সর্তক করে মসজিদে মসজিদে মাইকিং করা হয়। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সবাই গ্রামে ডাকাত ঢুকেছে বলে পোস্ট করেছে। তবে কোথায় কখন ডাকাত ঢুকেছে তার স্পষ্ট কেউ বলতে পারছেন না।
কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা আরিফ হোসেন শান্ত বলছেন, ‘শুধু ডাকের ডাকাত কইতেছে, কিন্তু কোন জায়গায় ধরা পড়ে না। সব গুজব।’


শাহরাস্তি উপজেলা থেকে কেউ কেউ ফেসবুকে লিখেছেন, শাহরাস্তিতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। আতঙ্কিত না হয়ে পুলিশকে সহযোগীতা করার অনুরোধ। অপরিচিত কাউকে দেখলে অবগত করুন সংশ্লিষ্ট থানাকে’।
ওই উপজেলার খিলাবাজার, বিজয়পুর, দেবকরা, মালোরা, নাহারা, পাথৈর, হোসেনপুর, গ্রামে মাইকিং করা হয়েছে। এছাড়া হাজীগঞ্জ উপজেলার বলিয়া, বেলঘর, লাওকোরা, টংগীরপাড়, হাড়িয়াইন, হাটিলা, গন্ধর্ব্যপুর ও কচুয়া উপজেলার আকানিয়া- নাছিরপুরসহ একাধিক গ্রামের মসজিদগুলোতে মাইকিং করা হয়েছে। তবে মাইকিং করে মসজিদ কর্তৃপক্ষ পাশের গ্রামে ডাকাত ঢুকেছে, সবাই সর্তক থাকার আহবান করেন।
এদিকে সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে একজন দাবী করেন, কচুয়া উপজেলার সাচার হাতিরবন্দ গ্রামে মঙ্গলবার ডাকাতি হইছে। তাদের নগদ ৪ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে গেছে।
তবে কচুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ এমএ হালিম রাতেই তার ফেসবুকে লিখেছেন, কচুয়ায় কোথাও কোন ডাকাতির ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায় নাই। তবে শীতকালে সবাই সতর্ক থাকবেন। এলাকায় নিজেরা পাহারার ব্যবস্থা করতে পারেন। কচুয়া থানা পুলিশ সব সময়ই পাশে আছে।
ছবি ক্যাপশন: ডকাত আতংকের পর শাহরাস্তি উপজেলার ভোলদিঘী বাজার টহল জোরদার করা হয়। বুধবার দিবাগত রাতের ছবি।








