
মতলব উত্তরে শেষ মুহূর্তের ঈদ কেনাকাটায় বাচ্চাদের পোশাকের চাহিদাই বেশি
Link Copied Successfully!

পবিত্র রমজান মাসের শেষ মুহূর্তের ঈদের কেনাকাটায় বাচ্চাদের পোশাকের চাহিদা তুলনামূলকভাবে বেশি। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভার বড় বাজার ছেংগারচর সরেজমিনে গতকাল সোমবার ঈদের শেষ মুহূর্তের কেনাকাটার উৎসব দেখা গেছে। যদিও দিনের বেলায় কাস্টমারের ভিড় দেখা গেলেও ইফতারের পর ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়ে রেডিমেট কাপড়ের দোকান গুলো।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে ক্রেতারা তাদের সাধ্যের মধ্যে ঈদের পোশাক খুঁজছেন। তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, সবকিছু বিবেচনায় গতবছরের তুলনায় এবার ব্যবসা ভালো হবে। অপরদিকে উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটের দর্জি, ট্রেইলার্স ও কারিগররা পাঞ্জাবি, ফতোয়া, শার্ট ও প্যান্ট তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
ক্রেতা শাহাদাত হোসেন জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না তার প্রভাব পড়েছে ঈদের বাজারে। যদিও উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতিতে শপিং মলগুলোতে জমে উঠছে কেনাকাটা। বেশিরভাগ দোকানে শিশু বাচ্চাদের ও মেয়েদের পোশাক বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা এনজিও কর্মী রবিউলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ঈদের সময় কেনাকাটার মজাই আলাদা। তবে বর্তমানে সবকিছুর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য এখন খেয়ে পরে বেঁচে থাকার সংগ্রাম। তারপর ও ছোট বাচ্চাদের ঈদের আনন্দকে ধরে রাখতে তাদের জন্য সামান্য কিছু কিনতে এসেছি। বিভিন্ন ধরনের ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রেডিমেট কাপড় ও থ্রি-পিসের দাম তুলনামূলক ভাবে বেশি। দামের কারণে অনেকেই পছন্দের পোশাক কিনতে না পেরে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। অনেকেই ফুটপাত এবং হকারদের মার্কেটে ভিড় করছেন। এবার ঈদে মহিলা ও শিশুদের পোশাকের চাহিদা তুলনামূলক ভাবে বেশি। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মহিলাদের পোশাকের মধ্যে থ্রি-পিস, বোরকা, লেহেঙ্গা, হিজাব, স্কাপসহ সব ধরনের কাপড়ই ক্রেতারা কিনছেন। শাড়ির বেচাকেনাও চলছে।
ঈদকে সামনে রেখে নিত্যনতুন ডিজাইনের পোশাক নিয়ে নিজেদের সাজিয়ে নিয়েছে উপজেলার ছোট বড় দোকানগুলো। স্বল্প আয়ের মানুষদের ভরসাস্থল ফুটপাতের ব্যবসায়ীরাও জামা কাপড় জুতো স্যান্ডেল নিয়ে প্রস্তুত। জরি পাথর কাঁচ চুমকীর কাজ করা জমকালো পোশাক শোভা পাচ্ছে দোকানগুলোয়।
পৌরসভার ছেংগারচর বাজারের ইমা ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী মোয়াজ্জেম হোসেন দর্জি বলেন, এবার ঈদের শেষের দিনগুলোতে ক্রেতারা কাপড়ের দোকানগুলোতে কেনাকাটার জন্য ভিড় জমাচ্ছে। তবে শেষ কয়েক দিনের বেচাকেনায় ব্যবসা ভালো হবে বলে আশা করছি।
এছাড়াও অনেকেই পছন্দের কাপড় কিনে ভিড় জমাচ্ছেন দর্জি বাড়ি ও পছন্দের টেইলার্সে পাঞ্জাবি, ফতোয়া, শার্ট ও প্যান্ট তৈরির জন্য। টেইলার্স মালিক উজ্জ্বল বলেন, এই ঈদে অর্ডার আছে তাই দর্জিরা নিয়মিত গভীররাত পর্যন্ত কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঈদের আগে সব অর্ডার ডেলিভারি করবো ইনশাআল্লাহ।








