
রাজারগাঁও ইউনিয়নে হাদীর পর কে হবেন চেয়ারম্যান!


জমে উঠেছে হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের উপ-নির্বাচন। নির্বাচনে খুব ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা। আসছে আগামী ৯ই মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাজারগাঁও ইউনিয়নের উপ-নির্বাচন। সকাল আট থেকে একটানা বিকাল চারটা পর্যন্ত ৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ইউনিয়নের পুরুষ ও মহিলা মোট ভোটার ২১৪২৪ জন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে কাঙ্ক্ষিত ভোট প্রয়োগ করবেন। উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১১জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।


প্রার্থীরা হলো টেবিল ফ্যান প্রতীকে আলহাজ্ব মিজানুর রহমান তালুকদার, দুটি পাতা প্রতীকে আক্তার হোসেন, অটোরিকশা প্রতীকে আনোয়ার হোসেন, টেলিফোন প্রতীকে আবুল কালাম, ডোল প্রতীকে মনির হোসেন পাটওয়ারী, দোয়াত কলম প্রতীকে মফিজুর রহমান, আনারস প্রতীকে রফিক পাটওয়ারী, চশমা প্রতীকে রফিকুল ইসলাম, মোটরসাইকেল প্রতীকে শাহজাহান মিয়া, রজনীগন্ধা প্রতীকে সিদ্দিকুর রহমান, ঘোড়া প্রতীকে হাজী মো. আবুল কালাম।
রাজারগাঁও ইউনিয়নে হাদীর পর কে হবেন চেয়ারম্যান জনমনে এমন প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে। নির্বাচনকে ঘিরে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগের পাশাপাশি পথসভা ও উঠান বৈঠক করেছেন প্রার্থীরা। নির্বাচনে প্রার্থী ও তাদের প্রতীকের পক্ষে ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় মাইকিং করে এবং গানে গানে, ছন্দে ছন্দে ও কবিতা-আবৃত্তি করে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তারা পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে চাচ্ছেন ভোট। যে প্রার্থীর প্রচারণা বেশি, সেই প্রার্থীর নামধামও ভোটারসহ ইউনিয়নবাসীর কাছে প্রচার পাচ্ছে বেশি। এ নিয়ে ইউনিয়নবাসীর মধ্যে তৈরি হচ্ছে এক ধরনের আলোচনাও। ভোটের মাঠে এ ধরনের প্রচার-প্রচারণা কতটুকু প্রভাব ফেলবে তা ভোটের পর বোঝা যাবে বলে মনে করছেন অনেকেই।
নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা প্রচার প্রচারণায় ব্যস্থ সময় পার করছেন। পুরো ইউনিয়ন জুড়ে ব্যনার পেষ্টুনে চেয়ে গেছে। প্রার্থীরা দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রুতি। ভোট প্রার্থনা করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পাড়া মহল্লায়। তবে ভোটাররা বলছেন যিনি নিঃস্বার্থে এলাকার উন্নয়ন মূলক কাজ করবেন এবং যিনি যোগ্য প্রার্থী তাকেই নির্বাচিত করা হবে।








