
ফরিদগঞ্জে ফুফুকে হাতুড়ী দিয়ে আঘাত ও কাটার দিয়ে রগ কাটে ভাতিজা শুভ
Link Copied Successfully!

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বিউটিশিয়ান মমতাজ বেগম রিক্তা হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহতের বড় ভাইয়রে ছেলে হত্যাকারী মেহেদী হাসান শুভকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাবার সাথে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে নিজ ফুফুকে হত্যা করে মেহেদী হাছান শুভ। সে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর শিক্ষার্থী।
শুক্রবার বিকেলে ফরিদগঞ্জ থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল) পংকজ কুমার দে। নিহত মমতাজ দুবাই প্রবাসী হারুনুর রশিদের স্ত্রী। এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি নিজ বসতঘরের টয়লেট থেকে মমতাজের কম্বল প্যাচানো রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বিয়রে পর বাবার কাছ থেকে পাওয়া একটি জমিতে ঘর করে বসবাস করতেন নিহত মমতাজ। তার ওই জমি ও ঘর নির্মাণ নিয়ে আপন বড় ভাই আব্দুল মালেক বেপারী, তার স্ত্রী কহিনুর বেগম ও ছেলে মেহেদী হাসান শুভর সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
ঘটনার দিন রাতে ভাইয়ের ছেলে মেহেদীকে পেয়ে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলে মমতাজ। একপর্যায়ে সে বড় ভাই আব্দুল মালেক বেপারী ও কোহিনুর বেগমকে দোষারোপ করে। আর বাবা মাকে নিয়ে এমন কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে ছেলে মেহেদী হাসান শুভ। পরে রাগের বশবর্তী হয়ে সে তার নির্মাণাধীন ভবন থেকে একটি হাতুড়ি ও কাটার নিয়ে সজোরে তার ফুফুকে পেছনে থেকে আঘাত করে এবং পরবর্তীতে পায়রে রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে। এ ঘটনায় ফরিদগঞ্জ থানায় নিহতের স্বামী হানুনুর রশিদ একটি হত্যা মামলা দায়রে করেন।








