
মতলব উত্তরে বাড়ছে শীত, গরম কাপড় বিক্রির ধুম
Link Copied Successfully!

মতলব উত্তরে ক্রমেই বাড়ছে শীতের প্রকোপ। সেই সঙ্গে পুরোনো গরম কাপড়ের বিক্রির ধুম পড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার পাশে অস্থায়ী পুরোনো কাপড়ের দোকানগুলোতে দেখা যাচ্ছে উপচে পড়া ভিড়।
দামে কম এবং মানে ভালো হওয়ায় পুরোনো গরম কাপড়ের চাহিদা বেশি থাকে। ফলে অস্থায়ী দোকানগুলোতে বেচাকেনাও ভালো হয়।
পৌরসভার ছেংগারচর বাজারের থানা রোড চৌরাস্তার মোড়ে অবস্থিত পুরোনো কাপড়ের দোকানগুলো সব সময় জমজমাট থাকে।এ ছাড়া উপজেলার কালির বাজার, নতুন বাজার, সাহেব বাজার, ও আমিরাবাদ এলাকায় পুরোনো গরম কাপড় দেদার বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে।
পুরোনো গরম কাপড়ের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, শীতের শুরু, অর্থাৎ অগ্রহায়ণ মাস থেকে এ কাপড়ের চাহিদা শুরু হয়ে তা অব্যাহত থাকে মাঘের শেষ পর্যন্ত।
ব্যবসায়ীরা জানান, পৌরসভার ছেংগারচর বাজারের থানা রোড চৌরাস্তায় রোডের দুই পাশে কয়েকজন বিক্রেতা কাপড় বিক্রি করেন। আগে এই বিক্রেতারা উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ফুটপাতে দোকান করতেন।
পুরোনো কাপড়ের ব্যবসায়ীরা জানান, তারা মোট ২৫জন বিক্রেতা উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় পুরোনো কাপড় বিক্রি করেন। এ শীত মৌসুমে তাঁরা সবাই মিলে অন্তত ২০০ বেল কাপড় বিক্রি করেন। কোরিয়া, তাইওয়ান, জাপানসহ পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে এ কাপড়গুলো বাংলাদেশে আনা হয় জাহাজে।
পুরোনো জ্যাকেট কিনতে এসে ছেংগারচর সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্র আশ্রাফুল আলম সিয়াম বলেন, কিছু পোশাক আছে দামে কম এবং দেখতেও বেশি পুরোনো লাগে না। সেসব থেকেই খুঁজে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে আমি একটা জ্যাকেট কিনতে এসেছি।
ঠাকুরচর গ্রামের ভ্যান চালক মোশাররফ হোসেন নিজের মা ও মেয়ের জন্য কিনতে এসেছেন উলের মোটা সোয়েটার। মোশাররফ হোসেন বলেন, এক থেকে দেড় শ টাকার মধ্যে মোটা ভালো সোয়েটার পাওয়া যায়। আমার বৃদ্ধা মা ও সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের জন্য তাই কিনতে এসেছি। আমাদের তো বেশি দাম দিয়ে নতুন পোশাক কেনার সামর্থ্য নাই। বাইরের এই পুরোনো গরম পোশাক না থাকলে আমরা বিপদেই পড়ে যেতাম।
E/N








