
বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মেসিরা


কাতার বিশ্বকাপ চলাকালে বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার ভক্তদের তুমুল সমর্থনের আওয়াজ পৌঁছেছে লিওনেল মেসিদের দেশেও। হাজার মাইল দূর থেকে বিশ্বকাপজুড়ে সমর্থন পেয়ে ব্যাপক খুশি আর্জেন্টিনার জনগণ এবং দেশটির ফুটবল কর্তৃপক্ষ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।
এ জন্য আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ দিতে আর্জেন্টিনায় বাংলাদেশের অনারারি কনসাল লিয়ান্দ্রো গাবারদিকে কাল আমন্ত্রণ জানান এএফএ প্রেসিডেন্ট ক্লদিও তাপিয়া। সেখানে গাবারদির মাধ্যমে বাংলাদেশের ভক্তদের আর্জেন্টিনা জাতীয় দল ও অ্যাসোসিয়েশনের ধন্যবাদ পৌঁছে দেন এএফএ প্রধান। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ‘ক্লারিন’ আজ এ খবর জানিয়েছে।
মেসিকে বাংলাদেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে ফের বাংলাদেশে আসতে পারেন মেসি।


আর্জেন্টাইনরা স্মরণ করছেন বাংলাদেশের সঙ্গে সেই ম্যাচ ১৯৮৩ সালে আর্জেন্টিনার এই দলটির সঙ্গেই খেলেছিলেন আসলাম–চুন্নুরা।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমটি লিখেছে, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলকে বাংলাদেশে আনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশের এই আগ্রহের কথা এএফএ সভাপতিকে জানিয়েছেন গাবারদি।
এএফএ সভাপতির অফিসে প্রায় ২০ মিনিটের মতো ছিলেন গাবারদি। এএফএর বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্বকাপ চলাকালে ‘এশিয়ান দেশটিতে আকাশি-সাদাদের প্রতি উন্মাতাল সমর্থন নিয়ে’ আলোচনা হয় দুই পক্ষে। ‘ক্লারিন’ এএফএর বিবৃতিতে গাবারদির মন্তব্যও প্রকাশ করেছে, ‘বিশ্বকাপ চলাকালে ঢাকা এবং অন্যান্য শহরে ভালোবাসামাখা সমর্থনের জন্য জাতীয় দলের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সব মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ক্লদিও তাপিয়া।’
ক্লদিও তাপিয়ার সঙ্গে বৈঠকে লিয়ান্দ্রো গাবারদিছবি: এএফএ প্রেস বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই অকুণ্ঠ সমর্থন শুধু মেসিদের দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও প্রচার হয়েছে।
গত ১৮ ডিসেম্বর বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠিও পাঠান।
‘ক্লারিন’ জানিয়েছে, এতে বাংলাদেশের মানুষ নিজেদের মাটিতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলকে দেখার যে আশায় রয়েছে, তা আরও সংহত হয়েছে। এর আগে ২০১১ সালে বাংলাদেশের মাটিতে নাইজেরিয়ার সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলেছে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল।



























