
সকল নবীর যুগেই কুরবানি ছিল


হযরত ইসমাঈল (আঃ)এর যুগ থেকে কুরবানির প্রচলন শুরু হয়নি, বরং সকল নবীর যুগেই কুরবানি”
দলিল কুরআন থেকেঃ-
وَ لِکُلِّ اُمَّۃٍ جَعَلۡنَا مَنۡسَکًا لِّیَذۡکُرُوا اسۡمَ اللّٰہِ عَلٰی مَا رَزَقَہُمۡ مِّنۡۢ بَہِیۡمَۃِ الۡاَنۡعَامِ ؕ فَاِلٰـہُکُمۡ اِلٰہٌ وَّاحِدٌ فَلَہٗۤ اَسۡلِمُوۡا ؕ وَ بَشِّرِ الۡمُخۡبِتِیۡنَ ﴿ۙ۳۴﴾
অনুবাদঃ-
আমি প্রত্যেক জাতির জন্য কুরবানির নিয়ম করে দিয়েছি,যাতে তিনি তাদেরকে জীবনোপকরণ স্বরূপ যেসব চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছেন,সেসবের উপর তারা আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে।তোমাদের ইলাহ এক ইলাহ,কাজেই তারই কাছে আত্মসমর্পণ কর এবং সুসংবাদ দিন বিনীতদেরকে।
এই আয়াত থেকে বুঝা গেল যে সকল নবীদের যুগেই কুরবানির বিধান ছিলো।
দলিল ২ঃ-
وَ اتۡلُ عَلَیۡہِمۡ نَبَاَ ابۡنَیۡ اٰدَمَ بِالۡحَقِّ ۘ اِذۡ قَرَّبَا قُرۡبَانًا فَتُقُبِّلَ مِنۡ اَحَدِہِمَا وَ لَمۡ یُتَقَبَّلۡ مِنَ الۡاٰخَرِ ؕ قَالَ لَاَقۡتُلَنَّکَ ؕ قَالَ اِنَّمَا یَتَقَبَّلُ اللّٰہُ مِنَ الۡمُتَّقِیۡنَ ﴿۲۷﴾
অনুবাদঃ-
আর আদমের দু’ছেলের কাহিনী আপনি তাদেরকে যথাযথভাবে শুনান।যখন তারা উভয়ে কুরবানী করেছিল অতঃপর একজন থেকে কবুল করা হল এবং অন্যজনের কবুল করা হল না।


এই আয়াত থেকে স্পষ্ট যে হযরত আদম (আঃ) এর দুই সন্তান কুরবানি করেছিলো।
দলিল হাদিস থেকেঃ-
হাবীলের নিজের পালন করা মেষ ছিল, তিনি সেটা দিয়ে কুরবানী দিয়েছিলেন।( মিশকাত শরীফ হাদিস নং – ৬৯৯৪ )
এই হাদিস থেকে প্রমান হলো হযরত আদম (আঃ)এর পুত্র হাবিল কুরবানি করেছিলো।
তাহলে উপরোক্ত আলোচনা দ্বারা বুজা যায় যে,কুরবানি সকল নবীর যুগে ছিলো।
প্রভাষক, আরবি সুহিলপুর এ বি এস ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা।




























