
হাজীগঞ্জে মাদ্রাসার গ্রীল কেটে পালানোর চেষ্টা, চার ছাত্রকে অব্যাহতি


হাজীগঞ্জ জামিয়া আহমাদিয়া কাওমী মাদ্রাসার ইকরা স্পেশাল ও নূরানী বিভাগের ছয় শিক্ষার্থী ৫ম তলার বারান্দার গ্রীল কেটে পালানোর চেষ্টা করে। রোববার রাত আনুমানিক ৩ টার সময় এই ঘটনা ঘটে। পরে ছয় জনের মধ্যে চার ছাত্রকে মাদ্রাসা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন জামিয়া আহমাদিয়া কাওমী মাদ্রাসার মুহতামিম ও হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের খতিব মুফতি মো. আব্দুর রউফ।
ওই শিক্ষার্থীরা হলো, জাকারিয়া, তাওহিদ-১, পারভেজ, নাঈম-১, তাওহীদ-২ ও নাঈম-২।
সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, হাজীগঞ্জ জামিয়া আহমাদিয়া কাওমী মাদ্রাসার ভবনের ৫ তলায় ইকরা স্পেশাল ও নূরানী বিভাগের ৬ শিক্ষার্থী পশ্চিম পাশের বারান্দ্রার গ্রীল কাটতে দুই শিক্ষার্থী হেসকো ব্লেড দিয়ে কাটার চেস্টা করে। বাকী ৪ শিক্ষার্থী আটকানো তালা তেল ও পিন দিয়ে খোলার চেস্টা করে। ওই সময় শব্দ পেয়ে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ঘুম ভেঙ্গে যায়। পরে শিক্ষার্থীরা দায়িত্বরত শিক্ষকদের জানালে তাদেরকে ইকরা স্পেশাল ও নূরানী বিভাগের প্রধান মাওলানা মামুনুর রশীদের হেফাজতে নিয়ে রাখা হয়।


সোমবার বিকালে শিক্ষকদের নিয়ে জামিয়া আহমাদিয়া কাওমী মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি মো. আব্দুর রউফ জরুরি সভা ডাকেন। ওই সভায় ৪ শিক্ষার্থীকে অব্যাহতি প্রদান করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। বাকী দুই শিক্ষার্থীকে সতর্ক করা হয়।
মুফতি মো. আব্দুর রউফ বলেন, এক শিক্ষার্থী দুষ্টু প্রকৃতির। তার ছোট ভাইকে নিয়ে সে পালাতে চেয়েছিল। সে আগেও ঢাকার মাদ্রাসা থেকেও ২/৩ বার পালানোর চেস্টা করে। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে শিক্ষকদেও পাশাপাশি পরিবারকেও সচেতন থাকার আহবান জানান তিনি।








