
দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে: রফিকুল ইসলাম এমপি
হাজীগঞ্জ ডাকাতিয়া ব্রীজ হুমকীতে : একটি পিলার বেশি ঝুঁকিপূর্ণ
হাজীগঞ্জ ডাকাতিয়া ব্রীজ -- পপুলার বিডিনিউজ 
২০০১ সালে নির্মিত হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কের ডাকাতিয়া ব্রীজ এখন ঝুঁকিপূর্ণ। চারটি পিলারের একটি পিলারে প্রায় ৪/৫ ফুট আস্তর খসে পড়েছে। বাকী পিলার গুলোর উপরের আস্তর খসে পড়া শুরু করেছে। বুধবার দুপুরে চাঁদপুর নির্বাহী প্রকৌশলী বিভাগের নির্দেশে একটি দল ব্রীজটি পরিদর্শন করে কয়েকটি চিত্রধারণ করে নেন। এর আগে মঙ্গলবার হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি নির্বাচনী আসনের গণমানুষের আস্থার ঠিকানা মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপি ব্রীজটি পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তাগিদ দিয়েছেন।
জানতে চাইলে মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপি পপুলার বিডিনিউজে বলেন, ব্রীজটি রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা ও সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ দ্রুত ব্রিজটির বর্তমান অবস্থায় ও করণীয় প্রসঙ্গে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা মিলল, ডাকাতিয়া ব্রিজের একটি পিলারে বালু বাহী জাহাজ বাঁধা। স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীদের জাহাজের ধাক্কায় ধীরে ধীরে আস্তর খসে পড়ছে। ক্রমে এই আস্তর খসে পড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে ডাকতিয়া ব্রীজ।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ব্রীজের দুই পাড়ে অবৈধপ্রক্রিয়ায় বালুমহাল বানিয়ে টাকার পাহাড় গড়ছেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে ব্রীজটি রক্ষায় তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। স্থানীয় এক কাউন্সিলর ব্রীজের পশ্চিম পাশে ড্রেজার বসিয়ে রাতের আঁধারে নদী থেকে বালু উত্তোলন করেছেন। এতে ব্রীজের অবস্থা আরো নড়বড়ে হয়ে গেছে। বালু ব্যবসায়ীদের জাহাজের ধাক্কা ও নদী থেকে বালু উত্তোলনে ব্রীজটি এখন ঝুঁকিরমুখে।
গত মঙ্গলবার থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্রীজটির পাশে অবৈধ বালুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া ও রাষ্টের সম্পদ এই ব্রীজ রক্ষার আহবান জানাতে দেখা গেছে নেটিজেনদের।
তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উল্লেখ করেন, অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের কারণে ধ্বংসের মুখে ডাকাতিয়া সেতু। সড়ক ও জনপথ মামলা করেও ঠেকাতে পারেনি অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের। যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে হাজীগঞ্জ- রামগঞ্জ ডাকাতিয়া সেতু। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখার আহবান জানান তারা।
পপুলার বিডিনিউজ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।








