
সিএনজি- মাইক
হাজীগঞ্জ থেকে ফেরার পথে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। -- পপুলার বিডিনিউজ 
হাজীগঞ্জ-কচুয়া আঞ্চলিক সড়কে সিএনজি ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু ও ৩জন আহত হয়েছে।
সোমবার বিকালে কচুয়া উপজেলার কালচোঁ মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই গুরুতর আহত ৪জনকে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়।
কতর্ব্যরত চিকিৎসক উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের পশ্চিম শীল বাড়ির স্বপন শীলের পুত্র সঞ্জিত শীলকে (৩৫) মৃত ঘোষণা করেন।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন উপজেলার আকানিয়া গ্রামের আব্দুল মমিনের স্ত্রী তুহিন বেগম (৩৬), ধড্ডা গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে শাহআলম (২৫) ও শ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে সিএনজি ড্রাইভার জহির (৫০)।
প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, হাজীগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা কচুয়াগামী সিএনজি কালচোঁ মসজিদ এলাকা অতিক্রমকালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী মাইক্রোবাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পরপরই মাইক্রো বাসটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করার মুহুর্তে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ মাইক্রো বাসটি জব্দ করে।


নিহত সঞ্জিত ডুমুরিয়া বাজারে স্টুডিও এবং কসমেটিক্স ব্যবসা পরিচালনা করতো। তার স্ত্রী ও দুই কন্যা রয়েছে। সঞ্জিতের অকাল মৃত্যুতে ডুমুরিয়া এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে সঞ্জিতের স্ত্রী, কন্যাসহ নিকট আত্মীয় স্বজনরা হাসপাতালে ছুটে এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
সঞ্জিতের স্ত্রী পলি রাণী শীল পপুলার বিডিনিউজ বলেন, স্বামীর মৃত্যুতে দুই কন্যার ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। তাদের কিভাবে মানুষ করবো, কিভাবে আমরা জীবনযাপন করবো, তা এখন পুরোটাই অনিশ্চিত।
এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন জানান, দুর্ঘটনায় কবলিতদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








