
সিলেট ও সুনামগঞ্জে ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট


সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা অব্যাহত আছে। এই দুই অঞ্চল থেকে বন্যার পানি নেমে যেতে আরও ৫ থেকে ৭ দিন লেগে যেতে পারে। অন্যদিকে উজান থেকে বন্যার পানি নেমে আসায় ভাটির আরও দুই জেলা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বন্যা আক্রান্ত হতে পারে।
সিলেটে ভেসে গেছে ৭ হাজারের বেশি পুকুরের মাছ। বন্যাকবলিত এলাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। অনেকে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে ত্রাণের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে দেখা গেছে।
সরকারিভাবে কিছু ত্রাণ দেওয়া হলেও স্থানীয় লোকজন বলছেন, তা খুবই অপ্রতুল। বন্যার কারণে জনজীবন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় পর্যটকদের ভ্রমণে না আসতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।


শুক্রবার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের (এফএফডব্লিউসি) বুলেটিনে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট জেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। অপরদিকে সুনামগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চলের কিছু স্থানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।
এ সময়ের মধ্যে সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও হবিগঞ্জ জেলার নদীগুলোর পানি সমতল কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে সুরমা তিনটি পয়েন্টে আর কুশিয়ারা দুটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
এর মধ্যে সিলেটের অমলশীদে কুশিয়ারা বিপৎসীমার ১৬৯ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীগুলোর পানি বাড়ছে। এটা আরও ২৪ ঘণ্টা অব্যাহত থাকবে। অপরদিকে পদ্মা নদীর পানির সমতল বাড়ছে, যা আরও ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।
সূত্র: যুগান্তর
H/N




























