
ছোট আকারের লঞ্চ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা


সারা দেশে চলমান সানকেন (নিমজ্জিত) ডেকবিশিষ্ট ছোট লঞ্চ পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে রোববার কঠোর সিদ্ধান্ত দিয়েছে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়। সাম্প্রতিক সময়ের কয়েকটি লঞ্চ দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি বিচার বিশ্লেষণ করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভা থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সভায় উপস্থিত লঞ্চ মালিক সমিতির নেতারা জোরালো প্রতিবাদ জানান। তবে এই সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন ঘটবে না বলে সরকারের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সংকট নিরসনে ছোট লঞ্চের নকশা বা ডিজাইন দ্রুত পরিবর্তন করতে নৌপরিবহণ অধিদপ্তরকে এক মাসের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজাবহ্ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘সানকেন ডেকবিশিষ্ট লঞ্চগুলো অল্প ধাক্কাতেই ডুবে যায় এবং তুলনামূলক প্রাণহানি বেশি। তাই নারায়ণগঞ্জ থেকে চলাচলকারী সব সানকেন ডেক লঞ্চ বন্ধ থাকবে। ওইসব রুটে স্ট্যাবল লঞ্চ দেওয়ার জন্য মালিকদের অনুরোধ করেছি।’ তিনি বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সানকেন ডেক লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে। সেখানে ভালোমানের লঞ্চ চলাচল করতে চাইলে সেগুলোর অনুমোদন দেওয়া হবে।’
সভায় জানানো হয়, ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া ছোট লঞ্চ চলাচলে আগের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। এই রুট থেকে এ ধরনের প্রায় ৭০টি লঞ্চ চলাচল করত। এ রুটে জারি করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে না।


প্রসঙ্গত, সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে মালবাহী রূপসী-৯ জাহাজের ধাক্কায় এমএল আফসার লঞ্চ ডুবে বেশ কয়েকজনের প্রাণহানি ঘটে। এরপরই নারায়ণগঞ্জ থেকে সানকেন ডেকবিশিষ্ট লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলন করে আসছিলেন লঞ্চ মালিকরা।
সূত্র: যুগান্তর
E/N



























