
কচুয়ায় বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন শতাধিক কৃষকের ভোগান্তি


কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ইউনিয়নের শংকপুর গ্রামে শত্রুতার জের ধরে সেচ মালিক মহসিন মৃধাকে মারধর ও প্রাননাশের হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই গ্রামের দেলোয়ার হোসেন,খোকন,নাজমুল হোসেন ও আকলিমা বেগমের বিরুদ্ধে এ মারধর ও প্রাননাশের অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় ভূক্তভোগী সেচ মালিক মহসিন মৃধা জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বৃহস্পতিবার কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শংকপুর গ্রামের অধিবাসী মহসিন মৃধা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ন ভাবে ওই মাঠে শতাধিক কৃষককের জমিতে পানি সেচ দিয়ে আসছেন। কিন্তু পাশ^বর্তী একই গ্রামের আকলিম বেগমসহ আরো কয়েকজন শত্রুতার জের ধরে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতিতে আমার বিরুদ্ধে বৈদ্যুতিক লাইন বিচ্ছিন্ন করার মিথ্যা অভিযোগ দেন। মহসনি মৃধাকে লাইন না দেয়ার অভিযোগও করেন তিনি। পরবর্তীতে পল্লী বিদ্যুত সমিতির কর্মরত লোকজনরা কোনো নোটিশ ছাড়াই তার বিদ্যুত সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। এতে করে ওই মাঠে থাকা শতাধিক কৃষক জমিতে পানি সেচ দিতে পারছে না। ভোগান্তি পড়তে হচ্ছে কৃষকদের। এ নিয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অভয়পাড়া বাজারে মহসিন মৃধা গেলে তর্ক-বিতর্ক হলে উল্লেখিত আসামীগণ তাকে মারধর করেন এবং প্রাননাশের হুমকিÑধমকি দেন।
ভূক্তভোগী সেচ মালিক মহসিন মৃধা বলেন, আমি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অভয়পাড়া বাজারে গেলে বিবাদীগন আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করেন। আমি প্রতিবাদ করলে আমাকে মারধর করার চেষ্টা করে এবং প্রাননাশের হুমকি দেয়। প্রতিনিয়ত বিবাদীরা আমাকে প্রাননাশের হুমকি দিয়ে আসছে। শত্রুতার জের ধরে আমি যাতে বৈদ্যুতিক লাইন সংযোগ না পাই এজন্য আকলিমা বেগমসহ আরো কয়েকজন পল্লী বিদ্যুত সমিতিতে অভিযোগ করেন। এ নিয়ে আমি খুব নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে কচুয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। বিষয়টি স্থানীয় এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধি অবগত রয়েছেন। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।


E/N



























