
নিষেধাজ্ঞার পরও মাইকিং করে বিক্রি হচ্ছে জাটকা

চরফ্যাশন উপজেলায় জেলেদের পুনর্বাসনের মাধ্যমে জাটকা সংরক্ষণের উদ্যোগ ভেস্তে যেতে বসেছে। নদীতে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চলছে জাটকা শিকার। বাজারে মাইকিং করে বিক্রি হচ্ছে জাটকা।
২০২১ সালের ১ নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জাটকা আহরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুদ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে সরকার। কিন্তু ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় অভিযান চোখে পড়ছে না। বরং নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই সেখানে মাইকিং করে বিক্রি হচ্ছে জাটকা ইলিশ। এদিকে জাটকা সংরক্ষণ মৌসুমে বেকার জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা চালও তারা পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।
শনিবার উপজেলার দক্ষিণ আইচা বাজারের মেইন সড়কের পাশে মাইকিং করে জাটকা ইলিশ বিক্রি করতে দেখা গেছে সবুজ নামে এক মৎস্য ব্যবসায়ীকে। মাইকিংয়ে তিনি ৫০০ টাকা মণ করে জাটকা ইলিশ বিক্রি করেছেন।
দক্ষিণ আইচায় নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক জাটকা বিক্রয়ের বিষয়ে এক ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, মাছ বিক্রি ছাড়া বিকল্প কোনো কাজ না থাকার কারণে বাধ্য হয়েই তাদের জাটকা বিক্রি করতে হয়। আর এ সময়টায় অন্য কোনো মাছ না পাওয়ায় তারা জাটকা বিক্রি করছেন।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী থেকে প্রতিনিয়ত জেলেরা জাটকা ধরে চরফ্যাশনের বিভিন্ন হাটবাজার ও গ্রামে চাপিলার নামে বিক্রি করছে। এখন ৫০ টাকায় দু-তিন ইঞ্চি আকারের যে জাটকার ভাগ বিকিকিনি হচ্ছে, তা দুই মাস পরেই দাম হতো এক লাখ টাকা। এভাবেই প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার ইলিশ প্রজাতি নিধন করে টমটম ও বোরকে করে চরফ্যাশনের বিভিন্ন গ্রামে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
সূত্র: যুগান্তর
E/N



























