
কুমিল্লায় ময়লা আবর্জনা থেকে হবে সার, গ্যাস ও বিদ্যুৎ


সাকলাইন যোবায়ের,কুমিল্লা।। কুমিল্লা বিবির বাজার স্থল বন্দর রাস্তার পাশে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের পার্শ্ববর্তী জগন্নাথপুর এর দৌলতপুর এলাকায় বছরের পর বছর ধরে এখানে সটি করপোরেশনের ময়লা-আবর্জনা এবং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ময়লাসহ বিভিন্ন স্থানের ময়লা ফেলার আবর্জনার ভাগাড় ময়লার পাহাড়ে পরিনত হয়েছে। কুমিল্লা নগরীর আবর্জনা থেকে সার, গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে আবর্জনা ফেলার এলাকার লোকজন দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে। কমবে পরিবেশ দূষণ।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মোঃ মনিরুল হক সাক্কুর ওই সব এলাকার লোকজনের দির্ঘদিনের কষ্টের বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের দূর্বিসহ জীবনের কথা ভেবে আবর্জনা পরিশোধনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এতে লাঘব হতে চলেছে ওই সব গ্রামবাসীর দির্ঘদিনের কষ্টের। ময়লা আবর্জনা অতীতে রাস্তার কাছে ফেললেও এখন রাস্তা থেকে অনেক ভিতওর ময়লা আবর্জনা ফেলা হয়।
সিটি করপোরেশন এর একটি সূত্রের মাধ্যমে জানা যায় , স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনসহ দেশের মোট ১০টি সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার আবর্জনা পরিশোধনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ওই সকল আবর্জনা থেকে সার, গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। প্রত্যেক সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার আবর্জনা ফেলার স্থানের ছয় একর জমির কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। সম্প্রতি কুমিল্লা সিটি করপোরেশন তাদের কাগজপত্র জমা দিয়েছে। এদিকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের আবর্জনা ফেলা হয় নগরীসংলগ্ন জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর এলাকায়। সেখানে তিন দশক ধরে ময়লা ফেলা হয়। এতে স্থানীয় পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। আবর্জনা পরিশোধন করা হলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে।


সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কুমিল্লা নগরী থেকে বিবিরবাজার স্থলবন্দর সড়ক। এই সড়কের দৌলতপুরে সিটি করপোরেশেনের আবর্জনা ফেলা হয়। দিন দিন আবর্জনা টাল একটি বড় পাহাড়ের রুপান্তরিত হয়েছে।
কুমিল্লা পরিবেশ সংরক্ষণ ও আন্দোলনের সভাপতি ডাঃ মোসলে উদ্দীন আহমেদ বলেন, দৌলতপুরের আবর্জনার কারণে মানুষের সঙ্গে এলাকার পশুপাখি, জীববৈচিত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এখানের আবর্জনাগুলো পরিশোধন করার দাবি দীর্ঘদিনের। সেটি করা হলে মানুষ উপকৃত হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনসহ দেশের মোট ১০টি সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার আবর্জনা পরিশোধনের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যা থেকে সার, গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। আবর্জনা ফেলার ছয় একর জমির কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। আমরা কাগজপত্র জমা দিয়েছি।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু বলেন, প্রকল্পটি প্রক্রিয়াধীন পর্যায়ে রয়েছে। আশা করছি সেটি অচিরেই অনুমোদন হবে আমরা আবর্জনা পরিশোধন করতে পারব। আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় থেকে জানতে পেরেছি খুব তারাতারি বাস্তবায়ন হবে এতে করে এসকল আবর্জনা থেকে গ্যাস উৎপাদন করা যাবে।
E/N



























