
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ম্যাচ ড্র, বিশ্বকাপ নিশ্চিত মেসিদের


নেইমার খেলবেন না এই ম্যাচে, জানা গিয়েছিল আগেই। সে কারণেই কি না, আর্জেন্টিনা হয়তো ভেবে বসেছিল, ম্যাচটা হেসেখেলেই জেতা যাবে। শেষমেশ তা হয়নি।
মেসি-দি মারিয়ারা নিষ্প্রভ ছিলেন, ম্যাচটা দেখেনি কোনো গোল। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এ ম্যাচের পর বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলেও পরে নিজ নিজ ম্যাচে উরুগুয়ে, চিলি ও কলম্বিয়া জিততে না পারায় নিশ্চিত হয়েছে, কাতারে যাচ্ছেন মেসিরা। ব্রাজিল বিশ্বকাপে যাওয়া নিশ্চিত করেছে আগের ম্যাচেই।
আর্জেন্টিনার কাছে এই ড্রয়ের প্রাপ্তি একটাই, এই নিয়ে লিওনেল স্কালোনির অধীনে টানা ২৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকল আলবিসেলেস্তিরা।


গোটা ম্যাচে মেসিরা তেমন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেননি। উল্টো নেইমারহীন ব্রাজিলই দুই-একটা প্রতি আক্রমণে আর্জেন্টিনার বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিচ্ছিল। প্রথমার্ধে ভিনিসিয়ুসের একটি সুযোগ লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়, ওদিকে রদ্রিগো দি পল আর মেসি গোল করার জন্য সরাসরি সুযোগ পেয়েছিলেন, গোল আসেনি তাও প্রথমার্ধে।
মূল একাদশের আক্রমণভাগে মেসির সঙ্গে ছিলেন দি মারিয়া আর লাওতারো মার্তিনেজ। ওদিকে মাঝমাঠে ছিলেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস, জিওভান্নি লো সেলসো ও দি পল। গত সেপ্টেম্বর থেকে চোটের কারণে না খেলা পারেদেস এই কয়েক মাসে এই প্রথম মাঠে নেমেছিলেন।
ওদিকে নেইমারহীন ব্রাজিল একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্ট্রাইকার হিসেবে চোটের কারণে বাদ পড়া রবার্তো ফিরমিনো ছিলেন না, ম্যানচেস্টার সিটির গাব্রিয়েল জেসুসকেও নামাননি তিতে। স্ট্রাইকার হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন আতলেতিকো মাদ্রিদের মাতিউস কুনিয়া। কুনিয়া তেমন প্রভাব রাখতে পারেননি ম্যাচে, একই কথা বলা যায় ভিনিসিয়ুসের ক্ষেত্রেও। ফলে তাঁদের জায়গায় দ্বিতীয়ার্ধে আয়াক্সের উইঙ্গার আন্তোনি ও জেসুসকে নামান হয়।
আর্জেন্টিনার চিন্তা বাড়িয়েছেন ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। দ্বিতীয়ার্ধে চোটের কারণে মাঠ থেকে বেরিয়ে গেছেন, তাঁর জায়গায় মাঠে নামান হয়েছিল জের্মান পেৎসেয়াকে।
গোলহীনভাবে ম্যাচ শেষ হওয়ার কারণে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়নি, তবে কিছুক্ষণ পরেই আর্জেন্টিনাকে সুসংবাদ দেয় ইকুয়েডর। পেরভিস এস্তুপিনিয়ান আর মোজেস কাইসেদোর গোলে চিলিকে ২-০ গোলে হারিয়েছে তাঁরা। চিলির হারে নিশ্চিত হয়েছে, কাতার বিশ্বকাপে যাচ্ছে।
সূত্র: প্রথম আলো




























