
কচুয়ার আরিফ নারায়ণগঞ্জের ইয়াছমিন কে বিয়ে করে প্রতারণার অভিযোগ


কচুয়া উপজেলার পাথৈর ইউনিয়নের মালিগাঁও গ্রামের প্রধানিয়া বাড়ির আব্দুস সাত্তারের ছেলে আরিফুল ইসলাম (৪০) নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পাইনাদি পূর্বপাড়া অধিবাসী মৃত- জসিম উদ্দিন ফকিরের মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার(৩১) কে বিয়ে করে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে ইয়াছমিন আক্তার।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কচুয়া থানায় এসে এ প্রতারণার অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে প্রকাশ তাদের দুজনের প্রেম সম্পর্কে গত ১ জুন ২০১৩ইং সালে ১১ দক্ষিণ বনশ্রী (শাপলা বিল্ডিং) এ ইসলামী শরীয়ামতে ৪ লক্ষ ১ টাকা দেন মোহর ধার্যে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বনশ্রীর এ বাড়িটি আরিফের বড় ভাইয়ের, সে দেখা শোনার দায়িত্বে ছিল। কিন্তু তখন তার নিজের বাড়ি বলে ইয়াছমিন কে বিয়ে করে। বিয়ের অল্প কিছুদিন পর এখান থেকে ইয়াছমিন কে সিদ্ধিরগঞ্জে তার পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দিয়ে আরিফ গ্রামের বাড়িতে চলে গিয়ে বসবাস করে। মাঝে মধ্যে আরিফ সিদ্ধিরগঞ্জ স্ত্রীর কাছে আসা যাওয়া করতো। ইয়াছমিন স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার জন্য ও গর্ভে সন্তানাদি ধারণ করতে আরিফকে বললে সে বিয়েটি এখন গোপন রাখতে বলে এবং ইয়াছমিনকে জাপানে স্যাটেল করার পর বাচ্চা নেবে বলে বিভিন্ন তাল-বাহানা করে আসছিল। আরিফকে সরল বিশ্বাসে তখন তাদের বিয়ের কোন কাবিনপত্র ইয়াছমিন সংরক্ষণ করেনি এবং তা চাওয়া হলে তাকে শারিরীক মানসিক নির্যাতনসহ প্রতারণার কৌশলে ৫/৬ মাস পূর্বে তার কাছে থেকে ৩ টি স্মার্ট মোবাইল ফোন ও ১ ভড়ি ৩ আনা ওজনের স্বর্ণ অলংকার নিয়ে যায়। বর্তমানে ইয়াছমিন জানতে পারে ওই সময়ে আরিফ বাড়িতে গিয়ে আরেকটি বিয়ে করে। এ ৫/৬ মাসের মধ্যে ইয়াছমিন আরিফের মোবাইল ফোনে এবং অন্য নাম্বার থেকে ফোন দিলে তার সাথে কোন কথা না বলে বিভিন্ন লোকজনকে দিয়ে হুমকি-ধুমকি দিয়ে আসছে। ইয়াছমিন আরিফের পরিবারের সকল লোকজনকে ঘটনাটি জানায় এবং তারা পূর্বেও জানতো তাদের বিয়ের কথা।
সর্বশেষ গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং তারিখে আরিফের বোন নাজমা বেগমের মোবাইল থেকে তার ভাগিনা হেলাল উদ্দিন ইয়াছমিন কে ফোন দিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও বøাক মেইল করার কথা বার্তসহ ইয়াছমিন তাদের বাড়িতে কখনো আসলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি-ধুমকি দেয়। যাহা ইয়াছমিনের কল রেকর্ডে সংরক্ষিত রয়েছে। ইয়াছমিন এ দিন অভিযোগটি থানায় জমা দিয়ে মালিগাঁও গ্রামে শশুরের সাথে দেখা করে নারায়ণগঞ্জে তার নিজ পিত্রালয়ে চলে যায়। অভিযুক্ত আরিফের সাথে যোগযোগ করা হলে, তাদের বিয়ের কথা অস্বীকার করে এবং ইয়াছমিন আজ তাদের বাড়িতে যায়নি বলেও জানান।


কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মহিউদ্দিন অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আমি অভিযোগটি পেয়ে সাচার পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ আনোয়ার হোসেনের কাছে পাঠিয়েছি। তদন্তে সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
E/N



























