
কচুয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রসাশনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহের অনুষ্ঠান বন্ধ


চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা ৪নং পালাখাল মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইমাম হোসেন সোহাগ ও কচুয়া প্রসাশনের হস্তক্ষেপে করোনা কালীন সময়ে সকল জনসাধারণের সমাগম, রাজনৈতিক,বিবাহসহ সবকিছুই বন্ধের প্রঙ্গাপন দিয়েছে সরকার,সেই লক্ষ্যে পূরণে ৪নং পালাখাল মডেল ইউনিয়ন পরিষদের শৈবাদ ৯নং ওয়ার্ডের মোল্লা বাড়ির মোঃ বাবুল মোল্লা মেয়ের সাথে ২নং পাথৈর ইউনিয়ন পরিষদের চৌধুরী বাড়ির মৃত আলী আশ্রাব চৌধুরীর দ্বিতীয় স্ত্রী পারুল বেগমের ছেলে সাগর চৌধুরী সাথে বিবাহ হওয়ার কথা ছিল।তিনি বিয়ের গেট ও খাবারের পেন্ডালসহ আলোকসজ্জায় যাকজমক ভাবে অনুষ্ঠান করে মেয়ের বিবাহ দিতে যাছিলেন।



কিন্তু তিনি এলাকার জনপ্রতিনিধিদের কারও সাথে যোগাযোগ না করে এই অনুষ্ঠান চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা যায়।খবর পেয়ে ঐ সময় ইউপি চেয়ারম্যান,ইউপি সদস্য,সাচার ফাড়িঁ থানার পুলিশ ও গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে বিবাহ অনুষ্ঠান টি বন্ধ করা হয় এবং তার সাথে ইউপি চেয়ারম্যান একটি সাদা কাগজে তার পিতাঃ মোঃ বাবুল মোল্লা ,মাতাঃ মোশেদা বেগম ও কনে খাদিজা আক্তারে কাছ থেকে লিখিত স্বাক্ষর নেন।এছাড়াও জানা যায়,মেয়েটির বয়স এখনো আঠারো পরিপূর্ণ হয়নি,তার বর্তমান বয়স ১৬বছর ১৮দিন,সেহেতু এটি একটি বাল্য বিবাহ।এব্যাপের শৈবাদ ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ সব্বোলাহ জানান,আমি খবর পেয়ে ছুটে আসি এবং কনের বাবাকে তার মেয়ের জন্ম সনদ দেখানোর কথা বলি,তাছাড়া করোনা কালীন সময়ে সকল কিছু বন্ধ করছে সরকার।তাই ইউপি চেয়ারম্যান, প্রসাশন ও গণমাধ্যম কর্মীদের হস্তক্ষেপে বিবাহ অনুষ্ঠান টি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
H/N



























