
রোজাদারের জন্য অফুরান পুরস্কার রয়েছে আল্লাহর কাছে


আজ রমজান মাসের ৭ম দিন। রহমতের মূল্যবান সময়গুলো দ্রুত বয়ে চলছে। শিগগির শুরু হয়ে যাবে মাগফিরাতের দিন। এ সময় খোদার রহমত কুড়িয়ে বাকি দিনগুলোয় ক্ষমা ও মুক্তিলাভের প্রস্তুতি নিতে হবে। সংযম ও কল্যাণের এ মাসে রোজার বাহ্যিক ও আত্মিক সব রকমের বিধিনিষেধ মেনে যে ব্যক্তি মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা করবে, তার জন্য আল্লাহর কাছে রয়েছে অফুরান পুরস্কার।
নবি করিম (সা.) বলেছেন : ‘রোজা ও কুরআন কেয়ামতের দিন মানুষের জন্য সুপারিশ করবে। রোজা বলবে, হে প্রতিপালক, আমি দিনের বেলায় তাকে পানাহার ও যৌনতা থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল করো। কুরআন বলবে, হে প্রতিপালক, আমি তাকে রাতে নিদ্রা থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল করো। তিনি বলেন, অতঃপর উভয়ের সুপারিশই কবুল করা হবে। (মুসনাদে আহমদ)।’
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, ‘রমজান মাসে আমার উম্মতকে এমন পাঁচটি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে, যা পূর্ববর্তী কোনো উম্মতকে দেওয়া হয়নি। ১. রোজাদারের মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর কাছে মেশকের চেয়েও অধিক প্রিয়। ২. সমুদ্রের মাছও রোজাদারের জন্য ইফতার পর্যন্ত দোয়া করতে থাকে।


এর মানে ফেরেশতাসহ সব সৃষ্টিই রোজাদারের জন্য দোয়া করতে থাকে। ৩. রোজাদারের জন্য প্রতিদিন বেহেশত সাজানো হয়। তারপর আল্লাহ বেহেশতকে বলেন, আমার নেককার বান্দারা অতিসত্ত্বর দুনিয়ার দুঃখ-কষ্ট দূরে নিক্ষেপ করে তোমার মধ্যে চলে আসবে। ৪. রমজান মাসে উচ্ছৃঙ্খল শয়তানদের শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। ফলে তারা ওইসব গুনাহ করাতে পারে না, যেসব গুনাহ অন্য মাসে করাতে পারত। ৫. রমজানের শেষ রাতে রোজাদারের গুনাহ মাফ হয়ে যায়।




























