
হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সেলুন


কচুয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে হাট বাজারে পিঁড়িতে বসা
হাটুঁড়ে সেলুন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিনদিন হারিয়ে
যাচ্ছে এসব সেলুন। আর কাজ না পেয়ে এখানকার নরসুন্দরদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে। এ অবস্থায় সরকারের আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছে তারা।
আধুনিক সভ্যতার ক্রমবিবর্তনে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গতিধারায় এসেছে পরিবর্তন। লেগেছে নতুনত্বের ছোঁয়া। তাই আজ হাটে বাজারে বট বৃক্ষের ছায়ায় খেয়াখাটে, ফুটপাতে কিংবা গ্রামগঞ্জের জল চৌকিতে বা ইটের উপরে সাজানো পিড়িতে বসে নাপিতের কাছে গ্রাম বাংলার মানুষের চুল দাঁড়ি কাটার সেই আদি দৃশ্য আর চোখে পড়ে না। তবে কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে এখনো কিছুটা দেখা মেলে এ দৃশ্যের।
তবে প্রতিনিয়ত মানুষকে সুন্দর করার কাজ করে যাচ্ছেন এসব নরসুন্দর বা নাপিতরা। অনেকেই বহু বছর ধরে করছেন এ কাজ। সে সময়ে তাদের এ আয় দিয়ে সংসার ভালো ভাবে চললেও বর্তমানে সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে নরসুন্দরদের।
পালাখাল বাজারের স্থানীয় নাপিতরা জানান, বহু বছর ধরে এ পেশায় কাজ করছি। প্রায় ৩০/৪০ বছর ধরে পিড়িঁতে বসিয়ে মানুষদের এভাবে নাপিতের কাজ করেছি। কিন্তু বর্তমানে আধুনিকতার কারনে আমরা এখন কোনো কাজ করতে পারছি না।


এদিকে স্বচ্ছ জীবন যাপন করতে ও আক্ষেপ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছে নাপিতরা।





























