
কচুয়ায় চাঁদা না দেয়ায় সেনা সদস্যকে পিটিয়ে পা ভাঙার অভিযোগ, ৩ জন গ্রেফতার


চাঁদপুরের কচুয়ায় ২ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে পিটিয়ে বাম পা ভেঙে দেওয়া এবং ৩ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ৩ আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
আহত সেনাসদস্য মোঃ তারিকুল ইসলাম (৪১) কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত। তার বাড়ি কচুয়া উপজেলার ১২নং আশরাফপুর ইউনিয়নের পিপলকরা গ্রামে। বর্তমানে তাকে ঢাকা সিএম এইচ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় তারিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কচুয়া থানায় ১১ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।


মামলার আসামীরা হলেন, পিপলকরা গ্রামের মোঃ হাফিজুর রহমান (৩৮), মোঃ আব্বাস (২৪), মোঃ হাসান (২৫), মোঃ সজিব (২৪), মোঃ আরিফ (২৯), মোঃ নেয়ামত (৩০), মোঃ আসাদ (৩০), মোহাম্মদ কাজী (৩৫), মোঃ আবু সাঈদ (২৬), মাজহারুল (২০) ও মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩৮)।
অভিযোগে বলা হয়, গেল ৫ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে তারিকুল ইসলাম বাড়ি থেকে নগদ ৩ লাখ টাকা নিয়ে বাজারে যাওয়ার পথে পিপলকরা এলাকায় রিপন এর দোকানের সামনে পৌঁছালে একটি চক্র দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে তার গতিরোধ করে।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৩০ মে একই স্থানে আসামীরা তারিকুল ইসলামের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা নির্মাণাধীন ঘর নির্মাণে বাধা দেওয়ার হুমকি দেয়।
সেনা সদস্যের পরিবার জানায়, ৫ আগস্টের ঘটনায় আসামীরা এলোপাতাড়ি লাঠিপেটা ও কিল-ঘুষি মেরে তার বাম পা ভেঙে দেয় এবং নাক-মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এ সময় তার কাছে থাকা ৩ লাখ টাকাও ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে তারিকুল ইসলামের ভাই জহিরুল ইসলাম বলেন, হামলা করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি। প্রতিনিয়ত পরিবারের সবাইকে হুমকি দিয়ে আসছে। প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চান তারা।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোহেল খান জানান, মামলার তিন আসামীকে গ্রেফতার করে ইতোমধ্যে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্ত কাজ চলছে।




























