
চাঁদপুরে মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শহীদের স্মরণে শোকর্যলী ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত


১৯৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে চাঁদপুরে প্রথম শহীদ কালাম-খালেক-সুশিল-শংকর স্মরণে শোক র্যালী ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে শহরের কালীবাড়ি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবন থেকে র্যালী নিয়ে ট্রাকরোডস্থ মুক্তিসৌধ গিয়ে পুস্প স্তবক অর্পণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
স্মরণসভায় জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও শহীদ কালাম- খালেক-সুশীল-শংকর স্মৃতি স্তম্ভ বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সলিম উল্যা সেলিম। এসময় তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানীরা চাঁদপুরে আক্রমণ করার খবরে বোমা বানাতে গিয়ে ৩ এপ্রিল আজকের এই দিনে অসাবধানতারবশে বোমা বিস্ফোরণে কালাম-খালেক-সুশিল-শংকর নিহত হয়। এসময় আরো অনেকেই আহত হয়। বিএনপি ক্ষমতায় এসে ২০০৪ সালে এই মুক্তিসৌধ নির্মাণ করেন।
চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের সদস্য সচিব বীরমুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও উদিচী জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন বাবরের পরিচালনায় স্মৃতিচারণে বক্তব্য রাখেন শহীদ কালাম-খালেক-সুশীল-শংকর স্মৃতি সংসদের সভাপতি এডভোকেট জহিরুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা অজিত সাহা, জেলা গণফোরামের সভাপতি এডভোকেট সেলিম আকবর, চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা সর্দার আবুল বাশার, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের সদস্য সচিব বীরমুক্তিযোদ্ধা সানাউল্যা খান, চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক গোপাল সাহা, শহীদ কালামের ছোট ভাই


জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাসুদেব মজুমদার, বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর, বাসদ সমন্বায়ক দিপালী, এডভোকেট মাসুদ রানা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাজমুল হুদা প্রমূ্খ।
১৯৭১ সালের এই দিনে (৩রা এপ্রিল) চাঁদপুরের ট্রাক রোডে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতিকালে বোমা তৈরির সময় অসাবধানতাবশত বোমার বিস্ফোরণে কালাম-খালেক-সুশীল-শংকর এ চার বীর ছাত্রনেতা শহীদ হন। শহীদদের স্মরণে বিস্ফোরিত স্থানে ২০০৫ সালে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয়।
আলোচনায় অংশ নেয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ও উপজেলা কমান্ড, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, বাসদ, শহীদ কালাম-খালেক-সুশিল-শংকর স্মৃতি সংসদ, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সংসদের নেতৃবৃন্দ।








