
পলাশ-শিমুল গাছ আর আগের মতো দেখা যায় না
Link Copied Successfully!
মতলব উত্তর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নও ১পৌরসভায় দেশি প্রজাতির পলাশ, শিমুল ও অশোক গাছ এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না। দেশি প্রজাতির এই গাছের শাখা-প্রশাখায় রক্তিম ফুলে ভরে উঠতো। গাছে গাছে পাখির কলকাকলি আর কিচির মিচির শব্দে প্রকৃতিতে নব জীবন ফিরে আসতো। পলাশ, শিমুল আর অশোক গাছ ও রক্তিম ফুল এখন আর দেখা মিলছে না। জ্বালানী কাঠের প্রয়োজনে গাছগুলো কেটে ফেলার কারণে ধীরে ধীরে বিলুপ্তির দিকে চলে যাচ্ছে। বসন্তের আগমনী বার্তা দেয়া এই দেশি গাছ টিকিয়ে রাখা প্রয়োজন।
উপজেলার ষাটনল-কালিপুর-বাগানবাড়ি বেড়ীবাঁধ সড়কের শিমুল গাছের দেখা পাওয়া যায়।
এছাড়া উপজেলার ১৪ ইউনিয়নও পৌরসভার বিভিন্ন গ্রামের পথে-প্রান্তরে এই গাছ চোখে পড়ে। গাছে গাছে রঙিন পলাশ ফুল চারিদিক মুখরিত করে সৌরভ ছড়ায়। প্রাকৃতিকভাবেই প্রকৃতিতে এই গাছগুলো জন্মে থাকে। রোপণ কিংবা গাছের কোন পরিচর্যা করতে হয় না। বসন্তকালে গাছের শাখায় শাখায় ফুলে ফুলে ছেয়ে যায়। । ফুল ফুটলে রঙিন হয়ে উঠে। ফুলের সৌরভে আকৃষ্ট হয়ে কোকিলসহ অন্যান্য পাখি গাছের চারপাশে উড়তে থাকে। ফুলের রঙিন উচ্ছ্বাসে প্রকৃতিতে আনন্দঘন ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ যেন চোখ জুড়িয়ে যায়। গাছের নিচে মাটির ওপর পড়ে থাকা ফুলগুলো যেন প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য বিছানা বিছিয়ে দেয়। এমন দৃশ্য এখন আর দেখা মেলে না।
উপজেলার গ্রামাঞ্চলের সড়কের আশপাশে শিমুল, পলাশ ও অশোক গাছ অযত্ন ও অবহেলায় ঝোপঝাড়ে ঘেরা অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। তবে আগের মতো গাছগুলো পরিমানে বেশি নয়। স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী শাহাদাত হোসেন বলেন, শিমুল গাছ কদাচিৎ পাওয়া গেলেও পলাশ ও অশোক গাছ চোখে পড়ে না। গাছগুলো যেন দূর্লভ হয়ে উঠেছে। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই এই গাছ এবং ফুলের সঙ্গে পরিচয় নেই। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ধরে রাখতে এবং পরিবেশ রক্ষায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গাছগুলো রোপণ করা প্রয়োজন।
হআই/নি








