
মেঘনার ভাঙনে চাঁদপুর তরপুরচন্ডিতে ১১ বসতঘর নদীগর্ভে বিলিন, আতঙ্কে তিন শতাধিক পরিবার
Link Copied Successfully!

ঘুর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী ইউনিয়নে আনন্দবাজার নদীর তীরবর্তী এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।তীরে আঁচড়ে পড়া মেঘনার তীব্র ঢেউয়ে ১১টি বসতঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে প্রায় তিন শতাধিক পরিবার নদী ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে।
খবর পেয়ে সাথে সাথে ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন তরপুরচন্ডী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসান রাসেল গাজী। তিনি ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।
এদিকে ২৬ অক্টোবর বুধবার সকালে ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রেফাত জামিল ও ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসান রাসেল গাজী। তারা পায়ে হেঁটে এবং নৌকাযোগে ইনিয়নের ৮, ৯ ও ৭নং ওয়ার্ড এলাকার ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন।
এসময় তারা বিষয়টি উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করে ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নিশ্চয়তা দেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী জানান, গত ২৪ অক্টোবর সোমবার ভোরে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংকের প্রভাবে নদীর তীরবর্তী এলাকায় মেঘনার ঢেউ আঁচড়ে পড়ে। এতে ১১ টি বছর বসতঘর নদীগর্ভে বিলীনসহ অনেকের বসতভিটে এবং আবাদি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। অতিদ্রুত ভাগন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, ভয়াবহতা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে তার আশঙ্কা করছেন।
Ni/N








