
পপুলার বিডিনিউজে প্রতিবেদন প্রকাশের পর
শিক্ষক শাহপরাণকে ২৫ হাজার টাকার চেক দিলেন মেয়র


হাজীগঞ্জ মৈত্রী কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক শাহ পরানের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হাজীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আ.স.ম মাহবুব উল আলম লিপন। ওই শিক্ষকের একমাত্র কন্যা সাদিয়া আফরিন ১১ বছর ধরে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। আবু বকর আল ফাহিম নামে পুত্র সন্তানটি ১৭মাস বয়সে ধরা পড়ে থ্যালাসেমিয়া। তাদের চিকিৎসা করাতে যখন শিক্ষক শাহ পরান সর্বশান্ত হয়ে গেল এরই মাঝে ধরা পড়ে শিক্ষক শাহ পরানের কিডনিতে পাথর।
দিশেহারা এই শিক্ষক পরিবারের পাশে সোমবার পহেলা আগস্ট ২৫ হাজার টাকা ও আগে ৫ হাজার টাকাসহ মোট ৩০ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। ওইসময় উপস্থিত ছিলেন পপুলার বিডিনিউজের এডিটর মনিরুজ্জামান বাবলু ও প্রিয় চাঁদপুরের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সিফাত।
গত কয়েকদিন ধরে পপুলার বিডিনিউজে শিক্ষক শাহ পরাণকে নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পর হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দ শিক্ষক শাহ পরানের সংসারের জন্য কেনাকাটা ও নগদ অর্থ প্রদান করেন। এছাড়াও অনেকেই সামর্থ্যনুযায়ী শিক্ষক শাহপরাণকে বিকাশে সহযোগিতা করেন। পপুলার বিডিনিউজের মাধ্যমে শিক্ষক শাহ পরানের প্রায় ৪৫ হাজার টাকার যোগান হয়েছে।
এদিকে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য মেজর অবসরপ্রাপ্ত রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম শিক্ষক শাহপরাণের সাথে মুঠোফোনে কথা বলেন। তার চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে আর্থিক অনুদানের আশ্বাস করেন তিনি।


পপুলার বিডিনিউজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শিক্ষক শাহপরাণ বলেন, মানবতার কাছে এগিয়ে আসায় মেয়র আসম মাহবুব-উল আলম লিপনের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।
মেয়র আসম মাহবুব-উল আলম লিপন বলেন, শিক্ষক শাহপরাণের ছেলের জন্য আগে ৫ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। এখন আরো ২৫ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। এই টাকা মেয়র তাঁর নিজস্ব তহবিল থেকে দিয়েছেন বলে জানান।
শিক্ষক শাহপরাণ হাজীগঞ্জ উপজেলার ৮নং হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের পদুয়া গ্রাম। তিনি পড়াশোনা শেষ করে হাজীগঞ্জ মৈত্রী স্কুলে চাকরী নেন। সেই সুবাধে হাজীগঞ্জ বাজারে বাসা ভাড়া থাকছেন। নিজের বাড়ীতেও করতে পারেনি বসতঘর। চারজনের সংসারে তিনজনের এমন দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত। কোন দিকপাল খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি। একাধিক টিউশনি থাকলেও কিডনীর ব্যাথায় এখন মাঝে মাঝে একটি টিউশনি করছেন।








