
লক্ষী দেবীর মেয়ের বিয়ের বাজার করে দিলেন ইউএনও


বহুকাল আগেই স্বামীর বাড়ি ছেড়েছেন লক্ষ্মী দেবী। পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করেই জীবন কাটে তার..
মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছে, চাহিদা খুবই সামান্য। বিয়ের একটা শাড়ি আর কিছু বাজার সদাই৷ চারিদিকে খোঁজাখুঁজি করতে করতে কেউ একজন পরামর্শ দিয়েছে ‘ইউএনওর কাছে যাও, উনি বাজার কইরা দিবেন’
যাওয়ার পর হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম তানজীর জিজ্ঞেস করেন, ‘আমি কই থেকে দিব!!’
লক্ষী দেবী কিছু বলে না, ইতস্তত হাসে৷ তার বিশ্বাস, তিনি দিতে পারবেন।’


এত আশা করে যে আসে, তাকে কিভাবে ফেরান। পরে পিআইও এর সাথে কথা বলে একজন স্টাফকে ঠিক করে দিয়ে বলেন, ‘উনি উনার খুশীমতো কিনুক, তুমি শুধু পাশে থেকো’
সব বাজার করে তার সাথে দেখা করতে এসেছে লক্ষ্মী দেবী৷ হাসিমুখে জানালো বিয়ের শাড়ি পরিয়ে নাকি মেয়েকেও নিয়েযাবে এর পরের বার..
ইউএনও রাশেদুল ইসলাম তানজীর পরিশেষে বলেন, একই পৃথিবীর মানুষের চাওয়া-পাওয়ার কত ফাঁরাক। কি অকৃত্রিম হাসি, কত অল্পতেই না কারো মুখে ভুবনজয়ের আনন্দ..


























