কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ঢোলকলমি গাছ

Default User
মাসুদ রানা,কচুয়া
আপডেটঃ ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২ | ৪:৩৫
Link Copied Successfully!

কচুয়ায় কালের বিবর্তনে ঢোল কলমি বা বেড়াগাছ যেন বিলুপ্তির পথে। ঢোল কলমি গ্রামাঞ্চলে প্রত্যেকটি অঞ্চলেই একটি পরিচিত নাম। তবে কালের বিবর্তনে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় সাদা ও বেগুনি রঙের পাপড়ি জড়ানো দৃষ্টিনন্দন একটি ফুলের নাম ঢোলকলমি। অঞ্চলভেদে অনেকের কাছে এ ফুলগাছটি বেড়ালতা বা বেড়াগাছ বা ঢোলকলমি নামে পরিচিত।

পাঁচটি পাপড়ির মেলবন্ধনে ফুটে ওঠা এর ফুল আর ৮-১০ ফুট লম্বা ঢোল কলমি গাছটি এখন বিলুপ্তির পথে। প্রকৃতির শোভা বর্ধনে মেঠোপথের ধারে, বাড়ির আঙিনায়, মাঠের ধারে এ নিষ্প্রভ ফুল গাছটি তেমন আর চোখে পড়ে না। শৈশবের খেলার সঙ্গী ঢোলকলমির ডালে গড়া খেলার ঘর আর কনে সাজানো ফুলের বাহার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে নতুন প্রজন্ম এদিকে কচুয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে বেড়ে ওঠা আগাছা হিসেবে পরিচিত বেড়ালতা বা ঢোল কলমি এখন আর দেখা যায় না। মাত্র কয়েক বছর আগেও এ উপজেলার প্রায় প্রত্যেক এলাকায় রাস্তার ধারে, বাড়ির পাশে, মাঠে-ঘাটে, জলাশয়ের ধারে, খাল-বিল সর্বত্রই চোখে পড়তো এ গাছ।

উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, ঢোলকলমি এর কান্ড দিয়ে কাগজ তৈরি করা যায়। তবে অযত্নে অবহেলায় জন্ম নেয়া ঢোলকলমি গাছের ফুল যেকোন বয়সি প্রকৃতি প্রেমিকের দৃষ্টি কাড়বে। সারা বছরই ঢোল কলমির ফুল ফোটে। তবে বর্ষার শেষে শরৎ থেকে শীতে ঢোলকলমি ফুল বেশি দেখা
যায়।

বিজ্ঞাপন

পালাখাল গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, ঢোলকলমি একটি উপকারী গাছ। এ গাছ দিয়ে বেড়া তৈরি করা, রান্নার কাজে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। সবচেয়ে বড় উপকার হয় মাটি ক্ষয়রোধের কাজে।
সেঙ্গুয়া গ্রামের বৃদ্ধ সাদেকুর রহমান বলেন, ঢোলকলমি ফুল সারা বছরই ফোটে। এই ঢোল কলমির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো গরু ছাগলে না খাওয়ায় এটা বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তবে নানা কারণে এখন আর তেমন কলমি গাছ চোখে পড়ে না।

উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন অফিসার বলেন, ঢোলকলমির গাছ বাড়ির আঙ্গিনার পাড় ভাঙ্গা রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি অল্পদিনে ঘন জঙ্গলে পরিণত হয়। এখন আর কোথাও আগের মতো ঢোলকলমির গাছ চোখে পড়ে না।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, দেশের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে বেড়ালতা হিসেবে পরিচিত এই ঢোল কলমি। এই ঢোলকলমি খালপাড়ের মাটিকে শক্ত করে রাখা,ভূমিক্ষয় রোধ,ভাঙন রোধে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। প্রান ও প্রকৃতি সুরক্ষায় মূল্যবান উদ্ভিদকে সংরক্ষনের ও
সম্প্রসারনের জন্য সকলের উদ্যোগ গ্রহন করা উচিত।

বিজ্ঞাপন

ট্যাগ:

শীর্ষ সংবাদ:
৪০–৫০ বছর পর ওয়ারিশি সম্পত্তির দাবি, মামলা চলাকালেই ভবন নির্মাণের অভিযোগ আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত ২২ জন কিউআর কোডে লেনদেনে কোনো ফি লাগবে না: অর্থমন্ত্রী চাঁদপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত ঢাকা মহানগর উত্তরের বিএনপিসহ তিন কমিটি বিলুপ্ত, বহিষ্কার ১৪ নেতা ফরিদগঞ্জে মুহাদ্দিস মাও. মো. মোশাররফ হোসাইন জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত চাঁদপুরে কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে অভিযান, ১১ জনের কারাদণ্ড পুলিশ পরিচয়ে চালককে ফ্ল্যাটে আটকে টাকা আদায়ের অভিযোগ, আটক ৪ নারী কচুয়ায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি আটক জুলাই গণহত্যার দুই মামলায় আসামি পটুয়াখালী নদীবন্দরের কর্মকর্তা, জানে না কর্তৃপক্ষ মতলব উত্তরে ৩০ প্রান্তিক পেশাজীবীকে প্রশিক্ষণ ও অনুদানের চেক প্রদান কচুয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব মতলব পৌরসভায় রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন ইউএনও ২৮ হাজার টাকার শাড়ি প্রতারণার মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা চাঁদপুরে রাতে ঘুরাঘুরি করায় ৪৯ কিশোর আটক কুয়েত প্রবাসী খোকন পাটওয়ারীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন মিয়ানমারের রাখাইনে বিমান হামলা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ জাতীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচনে তৃতীয় চাঁদপুরের হোসনে আরা মতলব পৌরসভার সমন্বয় কমিটির (টিএলসিসি) সভা