
গণপরিবহণে উধাও বিধিনিষেধ

সময় যত গড়াচ্ছে, দেশে করোনায় সংক্রমণের হার ও শনাক্তের সংখ্যা তত বাড়ছে। সংক্রমণ ঠেকাতে ১১ দফা বিধিনিষেধ জারি করেছে সরকার। গণপরিবহণে অর্ধেক আসনে যাত্রী বহনের নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু ট্রেন, বাস বা লঞ্চ-কোথাও এসব বিধিনিষেধের বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না। বরং অন্য সময়ের মতোই গাদাগাদি করে যাতায়াত করছেন যাত্রীরা, স্টেশন-টার্মিনাল-ঘাটে সেই উপচে পড়া ভিড়-স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে এতটুকু আগ্রহও নেই কারও মধ্যে। বাস-ট্রেন-লঞ্চে বিধিনিষেধ মানা হচ্ছে কি না-সেটি দেখারও যেন কেউ নেই। দায়িত্ব পাওয়া সংস্থাগুলো বলছে, তাদের রয়েছে লোকবল সংকট। অন্যদিকে যতটুকু অভিযান চলছে, স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের যে জরিমানা করা হচ্ছে, একে নামমাত্র বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে যাত্রী ও চালক-শ্রমিকদের মধ্যে ভীতিবোধ বা সচেতনতা কোনোটিই তৈরি করা যাচ্ছে না।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সরকার বিধিনিষেধ দিয়েই দায়িত্ব শেষ করতে চাচ্ছে। কোনো গণপরিবহণেই সুরক্ষাব্যবস্থা মানা হচ্ছে না। সংস্থাগুলোও কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যানবাহন সংকটে যাত্রীরা বেপরোয়া। চালক-শ্রমিকরা অর্থের লোভে ও মালিকদের নির্দেশনায় কৌশলী হয়ে নীরবতা পালন করছে। এভাবে চলতে থাকলে করোনা আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।
সূত্র: যুগান্তর
E/N





























