
ডলার, দামি উপহারের লোভ দেখিয়ে ‘প্রতারণা করছিলেন’ এই বিদেশিরা

বিদেশি নাগরিকদের এই প্রতারক চক্রের সদস্যরা ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো কিংবা ফেসবুকে নিজেদের পশ্চিমা দেশের নাগরিক পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। এরপর তাঁরা বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। দামি উপহার, পার্সেল, অতি মূল্যবান সামগ্রী দেওয়ার কথা বলে আদায় করে নিতেন বিপুল অঙ্কের টাকা ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে এসে রাজধানীর পল্লবী, রূপনগর ও দক্ষিণখান এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে তৈরি পোশাকের ব্যবসা শুরু করেন নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাত নাগরিক। পরে বাংলাদেশি এক দম্পতির সহযোগিতায় ব্যবসার আড়ালে শুরু করেন অভিনব প্রতারণা। কারও কারও ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করতে থেকে যান বাংলাদেশে।
বিদেশি নাগরিকদের এই প্রতারক চক্রের সদস্যরা ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো কিংবা ফেসবুকে নিজেদের পশ্চিমা দেশের নাগরিক পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। এরপর তাঁরা বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। দামি উপহার, পার্সেল, অতি মূল্যবান সামগ্রী দেওয়ার কথা বলে আদায় করে নিতেন বিপুল অঙ্কের টাকা।
প্রতারণার ৯৫ লাখ টাকাসহ ওই ৭ বিদেশি ও তাঁদের সহযোগী বাংলাদেশি দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তাঁরা হলেন নাইজেরিয়ান উদেজে ওবিন্না রুবেন (৪২), ইফুন্যা ভিভিয়ান নাবুইকে (৩১), সানডে শেডেরাক এজিম (৩২), চিনেদু মোসেস নাজি (৩৬), কলিমস ইফেসিনাছি তালিকে (৩০), চিদিম্মা এবেলে আইলোফো (২৬), দক্ষিণ আফ্রিকার এনটোম্বিখোনা গেবুজা (৩৬) এবং তাঁদের সহযোগী মো. নাহিদুল ইসলাম (৩০) ও সোনিয়া আক্তার (৩৩)। তাঁদের কাছ থেকে ৮টি পাসপোর্ট, ৩১টি মুঠোফোন, ৩টি ল্যাপটপ, ১টি চেক বই, ৩টি পেনড্রাইভও উদ্ধার করা হয়েছে।


আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৪–এর অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এর আগে বিভিন্ন সময়ে টাকাকে ডলারে রূপান্তরিত করা এবং পার্সেল পাঠানোর কথা বলে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৫-২০ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছিলেন তাঁরা।
সূত্র: প্রথম আলো
E/N




























