
চোর সন্দেহে মাদ্রাসাছাত্রকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন


গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চোর সন্দেহে ৯ বছরের এক শিশু মাদ্রাসাছাত্রকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় রোববার সকালে।
নির্যাতনের শিকার শিশু সিরাজগঞ্জের তাড়াশ থানার মাঝদক্ষিণা এলাকার সুবহান মিয়ার ছেলে নাহিদ মিয়া (৯)। সে ওই এলাকার স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ২য় শ্রেণিতে পড়ে।
এলাকাবাসী, পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫-৬ বছর আগে সুবহান মিয়া তার স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে জীবিকার খোঁজে সিরাজগঞ্জ থেকে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আসেন। পরে উপজেলার ডাইনকিনি এলাকার শহীদের বাসা ভাড়া নিয়ে সুবহান স্থানীয় ওয়ালটন কারখানায় এবং তার স্ত্রী স্থানীয় পোশাক কারখানায় কাজ করে আসছেন। কিন্তু তাদের ছোট ছেলে নাহিদ গ্রামের বাড়ি তাড়াশ থানা এলাকায় একটি মাদ্রাসায় ২য় শ্রেণিতে পড়ে।


গত ৫-৬ মাস আগে করোনাকালীন নাহিদ তার মা-বাবার কাছে ডাইনকিনি এলাকায় বেড়াতে আসে। প্রতিদিনের মতো রোববার সকালে বাবা-মা তাদের কর্মস্থলে যান। এ সুযোগে ওই শিশু সকাল ৭টার দিকে পাশের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় ঘুরতে যায়। একপর্যায় ওই শিশু পাশের রঞ্জিত মেডিকেল হল নামে একটি ওষুধের দোকানের ভিতরে ঢুকে।
তখন ওষুধের দোকান মালিক মিছির কুমার বাইরে পানি আনতে যান। এ সময় পাশের ভাই ভাই হার্ডওয়্যার দোকানের মালিক আনোয়ার হোসেন চোর সন্দেহে ওই শিশুকে আটক করে।
সূত্র: যুগান্তর
E/N




























