
করোনা কালীন সময়ে সাহসিকতা ও জীবন যুদ্ধে কাজ করেছেন কচুয়া থানার ওসি


করোনা মহামারী থেকে সংক্রমন এখন মৃত্যু রুপ নিয়েছে, চলছে কঠিন ভয়াবহতা,আতংকিতা। চাঁদপুর জেলা করোনা ভাইরাসে মহামারী আকার ধারন করছে। দেশজুড়ে চলছে এর সংক্রমণ,কোথাও মনখুলে চলার কোন সুযোগ নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে মাঠে-ঘাটে অভিযান পরিচালনা করতে চরম ঝুকিও রয়েছে প্রতিটি মুহুর্তে। মৃত্যুর ছায়া যেন চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অদৃশ্য মরণঘাতক ভাইরাস শরীরে নিয়ে ঘরে ফিরি কিনা কেউ জানে না। এ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চির দিনের বিদায় নিয়ে চলে গেছে সহপার্ঠী অনেকেই। কতজন, না যেন হারিয়েছে তার প্রিয়জনকে। আবার অনেকে হারিয়েছে তার কলিজার টুকরো প্রিয় সন্তান, আবার কেউ হারিয়েছে স্বামী আর বাবা-মা ও আদরের ভাই-বোনকে। তবুও করোনাকে ভয় না পেয়ে, মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ, দায়িত্ব ও দেশ প্রেম থেকেই প্রায় প্রতিদিনই অভিযানে মাঠে যাচ্ছেন প্রিয় মানুষটি কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ মহিউদ্দিন।
পবিত্র ঈদুল আযহার পর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ১৪ দিন লকডাউন দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মহিউদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারে ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে দিয়েছে। মানুষকে ঘরে রাখার ও দোকানপাট বন্ধ করার জন্য দিন রাত ২৪ ঘন্টা মাঠে পুলিশ রয়েছে।
কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মহিউদ্দিন বলেন,দেশের প্রধানমন্ত্রীর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধ করছে দেশের মানুষের জন্য, তাই প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী হয়ে চাঁদপুর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোঃ মিলন মাহমুদ বিপিএম-বার স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করে যাচ্ছি।কচুয়া উপজেলার পৌর শহরের বাজার এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাজার ব্যবস্থাপনা মনিটরিং, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা, মানুষকে সচেতন করায় নিয়মিত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন পুলিশ প্রশাসনের এ কর্মকর্তা। কখনো উপজেলা প্রশাসনের সাথে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, আবার কখনো দৃস্কৃতিকারীদের দমনে টহল দলের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রতিনিয়ত।
তিনি আরো বলেন, করোন মহামারীতেও সব সময়ই রাস্তায় রয়েছে পুলিশ, গরীব ও মধ্যবিত্তদের কখোনও প্রকাশ্যে আবার কখনও গোপনে খাবার দিচ্ছেন পুলিশ। করোনায় আক্রান্তদের হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন পুলিশ, ডাক্তারদের কর্মস্থলে আনা-নেয়া করছেন পুলিশ, আবার করেনায় মৃত্য ব্যাক্তির কবর খোড়া, জানাজা পড়ানো ও দাফন দিচ্ছেন পুলিশ। একটি মানুষ কয়েকটি চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দেশ সেবা করতে হচ্ছে। কারো কাছে কঠোর হতে হয় আবার কখনও হৃদয়ের স্পন্দন দিয়ে ভালবেসে মানুষের কাছে গিয়ে সেবা দিতে হচ্ছে আমাদের। তাই যতোদিন কচুয়ায় কর্মরত থাকবো, সহায়তা পেয়েছি সকলের কাছ থেকে। সব সময়ই মানুষের সেবা করে যেতে চাই, থাকতে চাই এ অঞ্চলের মানুষের মনের মনিকুঠায়। আশা করি আমার জন্য সকলে দোয়া করবেন, সব সময় সুস্থ থেকে আপনাদের পাশে থেকে সেবা করা যেতে পারি, সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।


H/N



























